মেইন ম্যেনু

আ.লীগ না করলেই রাজাকার : নজরুল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আপনি যত বড় মুক্তিযোদ্ধাই হোন না কেন, আপনি যদি সরকারি দল (আওয়ামী লীগ) না করেন, তাহলে আপনি হয় এজেন্ট নতুবা রাজাকার।’

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল এ সভার আয়োজন করে।

আওয়ামী লীগকে এক অদ্ভূত মেশিন হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ওই মেশিনের এক পাশ দিয়ে কোনো রাজাকারকে ঢুকিয়ে দিলেও অন্য পাশ দিয়ে সে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হবে।

বিএনপিকে রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধার দল হিসেবে উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা, কলকাতার থিয়েটার রোড কিংবা কোনো হোটেলের মুক্তিযোদ্ধা নয়। আর যারা মুক্তিযুদ্ধ করে নাই কিংবা বয়স থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধে যায় নাই, তারা এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রচারক-প্রসারক। ফলে আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি আমাদের চেয়ে তাদের নাম এখন বেশি।

সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় বিএনপির নির্বাচিত মেয়রদের বরখাস্ত করা ও কারাগারে প্রেরণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘যারা ভোট ছাড়া নির্বাচিত তারা এখন সচিবালয়ে। আর যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত তারা কারাগারে। এটা কেমন গণতন্ত্র? এই গণতন্ত্রের জন্য কি আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম?’

বিএনপির এই নেতা বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরানোর চক্রান্ত হচ্ছে। সেখানে কবর থাকলে কী সমস্যা হচ্ছে? সংসদ পরিচালনায় কি কোনো সমস্যা হচ্ছে? আসলে সমস্যা একটি, সেটি হলো-মানুষ সারাদিন সেখানে যায়, দোয়া করে। এখানেই তাদের (আওয়ামী লীগ) আপত্তি।

বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে এমন অভিযোগ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দল যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তখন জিয়া পরিবারকে ধ্বংস ও জিয়ার আদর্শকে নস্যাৎ করার চক্রান্ত চলছে। অবশ্য এ চক্রান্ত নতুন নয়। তবে যত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তই করা হোক না কেন, তাতে কোনো লাভ হবে না। কারণ, বিএনপি জনগণের দল। আর জনগণের মনের মনিকোঠায় জিয়ার অবস্থান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তাই আমরা যেন জিয়ার আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হই, তার রাজনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সেজন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনকে অব্যাহত রাখতে হবে।

তাঁতী দলের সভাপতি হুমায়ুন ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন-সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের উপদেষ্টা কাজী মনিরুজ্জামান মনির, সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই