মেইন ম্যেনু

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের নতুন তালিকায় রয়েছে যেসব স্থান

ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের নতুন তালিকায় যেসব স্থান জায়গা পেয়েছে তাদের নাম প্রকাশ করেছে৷ ভারত, জার্মানি, ইরান, মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের সেই স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে৷

দক্ষিণ পশ্চিম ইউরোপে নৃতাত্ত্বিক স্থান : তুরস্কের অনি শহরের মধ্যযুগীয় এই এলাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের নতুন তালিকায় স্থান পেয়েছে৷ ৯৬১ থেকে ১০৪৫ সালের মধ্যে বাগরাতিদ আর্মেনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল অনি৷ এছাড়া প্রাচীন গ্রিসের ফিলিপ্পি এবং চেকোশ্লোভাকিয়ার স্টেসির মধ্যযুগীয় স্মৃতিস্তম্ভও রয়েছে এই তালিকায়৷

ইরানের মরুভূমি : পারস্যের কানাত ভূগর্ভস্থ পানি পরিবহনের স্থান এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে৷ প্রথমবারের মতো এমন একটি প্রযুক্তিগত স্মৃতিস্তম্ভ এই তালিকায় স্থান পেল৷ এছাড়া ইরানের লুত মরুভূমি আছে এই তালিকায়৷ বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ এলাকা এটি এবং ইরানের প্রথম প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় ঠাঁই পাওয়া স্থান৷

জিব্রালটারের নিয়ানডার্থাল গোরহাম গুহা : জিব্রালটার বোরের পূর্বাঞ্চলের চারটি গুহা মানব সভ্যতার বিবর্তনের সাক্ষী৷ এর বাইরের অন্য নিদর্শনগুলো হলো, স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলের প্রাচীন

অ্যান্টিকোয়েরার পাথরের টেবিল৷ ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় : নতুন তালিকার মধ্যে রয়েছে ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন৷ এখানে গৌতম বুদ্ধের একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে৷ তৃতীয় শতাব্দী থেকে অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এখানে প্রার্থনা ও জ্ঞানদান করতেন৷ এছাড়া হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা ন্যাশনাল পার্কও আছে এই তালিকায়৷

চীনের প্রস্তরচিত্র এবং বনানী : চীনেও আছে দুটি নির্দশন৷ একটি মাউন্ট হুয়া সান এ খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের আদিম মানুষদের পাথরে আঁকা জীবন ও আচার-আচরণের ছবি৷ অন্যটি সেনংসিয়ার বনাঞ্চল৷ সেখানে বিল প্রজাতির অনেক প্রাণী রয়েছে, যেমন স্বর্ণ বানর৷

মাইক্রোনেশিয়ার প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্র : মাইক্রোনেশিয়ার প্রথম ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান৷ এখানে প্রাসাদ, মন্দির, কবরস্থানের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে৷ পনপেইয়ের উপকূলে ৯৯ টি কৃত্রিম দ্বীপে এসব ধ্বংসাবশেষ রয়েছে৷ ৫০০ বছর আগেই সেখান থেকে বসতি উঠে গেছে৷

আধুনিক ব্রাজিলের স্থাপত্য : পাপুলহায় ক্যাসিনো, বলরুম, গল্ফ ও ইয়াট ক্লাব রয়েছে৷ আর আছে একটি গীর্জা৷ এই অবকাশযাপন কেন্দ্রটি কৃত্রিম লেকের নকশায় তৈরি৷ ১৯৪০ সালে এটি নির্মিত হয়৷

ক্যারিবীয় স্থাপত্য : অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার কোনো স্থান এই প্রথম ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা পেলো৷ দুটি দ্বীপ ১৮ শতকের ঔপোনিবেশিক স্থাপত্যে সমৃদ্ধ৷

মেক্সিকোর সমুদ্রসম্পদ : রেভিলাগিগেডো আর্কিপেলাগো মেক্সিকোর ৬ষ্ঠ স্থান যা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেলো৷ এখানকার দ্বীপগুলো বিরল প্রজাতির হাঙ্গর, তিমি, ডলফিন ও কচ্ছপের বিচরণক্ষেত্র৷

কানাডার প্রবাল উপকূল : এই উপকূলে এতই প্রবাল যে দিক ভুল হলে জাহাজ টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে৷ নিউফাউন্ডল্যান্ডের অ্যাভালন উপত্যকার এই স্থানটিকে এখন জীবাশ্ম স্থান বলা হয়৷ এখানকার জীবাশ্মগুলো ৫০ লাখ বছরের পুরোনো এবং বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন৷

স্ট্যুটগার্টের লে কর্বুসিয়ার : জার্মানির স্ট্যুটগার্টের ভাইসেনহফসিডলুং-এর লে কর্বুসিয়ার দুটি বাড়ি স্থাপত্যনিদর্শন হিসেবে বিখ্যাত৷ ২০০২ সাল থেকে বাড়ি দুটিকে জাদুঘর বানানো হয়েছে৷-ডিডব্লিউ






মন্তব্য চালু নেই