মেইন ম্যেনু

ইউরোপের ‘টার্গেট’ ৩০,০০০ মানব পাচারকারী

ইউরোপ সিদ্ধান্ত নিয়েছে— আইলানকে নিয়ে বিয়োগান্তক ঘটনার পুনরাবৃত্তির পেছনে দায়ী মানবাপাচারকারীদের বিশাল চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে। যারা অর্থের বিনিময়ে অবৈধ পথে অনিরাপদ নৌকা ও অপ্রতুল খাদ্য দিয়ে শরণার্থীদের নামিয়ে দেয় অতল সাগরের বুকে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, আনুমানিক ৩০,০০০ অসাধু ব্যক্তি জড়িত মানব পাচারকারী বিশাল চক্রের সঙ্গে। বিপুল সংখ্যক এ ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে ইউরোপের প্রধানতম কর্তব্য— এমনটিই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জানা যায় এ মৃত্যুমুখী ব্যবসায় অর্থের বিনিময় ঘটে অন্তত শত কোটি ডলারের। এবং অবৈধ পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিতে প্ররোচিত করা হয় শরণার্থীদের। যে কারণে দিনের পর দিন ঝুঁকি নিয়ে সাগরপাড়ি দেয়া শরণার্থীদের সংখ্যা কেবলই বাড়ছে। কোনো দুর্ঘটনার ঘটনাই তাদের দমাতে পারছে না।

শরণার্থীআগত শরণার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে যে ক’টি দেশের নাগরিকরা : সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইরিত্রিয়া এবং সোমালিয়া। দেশগুলোয় দারিদ্র এবং গৃহযুদ্ধ এতোটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে, যা অভ্যন্তরে মর্মন্তুদ দৃশ্যের জন্ম দিয়ে চলেছে প্রতিদিন। যে কারণে জন্মভূমি ফেলে চলে আসার পথে পা বাড়িয়েছে সাধারণ মানুষেরা। দেশের ভেতরেও তারা গৃহহারা এবং বাইরেও যাপন করতে হচ্ছে শরণার্থী-জীবনের অপরিমেয় কষ্ট।

শরণার্থীইউরোপীয় ইউনিয়নের অপরাধদমন সংক্রান্ত অধিদপ্তর ‘অর্গানাইজড ক্রাইম নেটওয়ার্কের’ প্রধান রবার্ট ক্রেপিঙ্কো বলেন, শুধুমাত্র ইউরোপোলই নয়, বরং প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের পুলিশদের পৃথকভাবে এতে ভূমিকা রাখতে হবে। অবৈধ পথে শরণার্থী আগমণের ঘটনা বিষয়ে কেউ যদি বড় ফ্রেমে দেখতে চান, তো চোখ রাখার জন্যে ভূমধ্যসাগরই যথেষ্ট নয়। কেননা, এদের সংখ্যা ৩০,০০০।

জুলাই থেকে ইউরোপ নৌবাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ একটি বাহিনী তৈরি করেছে যাদের কাজ ভূমধ্যসাগরলগ্ন সংবেদনশীল অঞ্চলগুলো চষে বেড়ানো। পাচারকারীদের হাতেনাতে ধরার পাশাপাশি আর্তদের উদ্ধারে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।






মন্তব্য চালু নেই