মেইন ম্যেনু

ইনস্টাগ্রামে ঝড় তুলছে কে এই হিজাবি মডেল?

হিজাবি এক মডেলকে নিয়ে রীতিমতো ঝড় শুরু হয়েছে ইনস্টাগ্রামে। যা নিয়ে পুরো বিশ্বজুড়েই এখন চলছে তুুমুল আলোচনা। তাহলে কে এই হিজাবি মডেল?

তরুণীদের অল্টারনেটিভ রোল মডেল নাইজেরিয়ান মেডিক্যাল ছাত্রী হানিফা অ্যাডাম তৈরি করেছেন এই হিজার্বি’কে। আর এই হিজার্বিকে নিয়ে ইনস্টাগ্রামে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তোলপাড়। বলা চলে, ইনস্টাগ্রামে চলছে হিজার্বি ঝড়।

স্কিন টোন, কার্ভস : মাসখানেক আগেই বার্বির স্কিন টোন, দেহের আকার, তার কার্ভস— সবকিছুতেই আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছিল। কিন্তু সেসব নিয়ে আলোচনার মাঝেই হানিফার হিজার্বি আবার আলোচনার কেন্দ্রে। হানিফা বিভিন্নভাবে হিজাব পরিয়ে একের পর এক ছবি পোস্ট করতে থাকেন ইনস্টাগ্রামে। তারপর থেকেই ইনস্টাগ্রামে হিজার্বি’কে নিয়ে আলোচনা শুরু।

হিজার্বি অ্যাকাউন্ট : বার্বি মানেই ডেনিম হটপ্যান্ট আর ফিনফিনে

টপ। কিন্তু হিজার্বি’র ঝলমলে হেডস্কার্ফ পরা আপাদমস্তক ঢাকা লুক প্রায় সকলেরই খুব পছন্দ হয়েছে। বার্বিডল প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘বার্বি’র ইনস্টাগ্রামে বার্বিস্টাইল নামে একটি পেজ রয়েছে। সেখানেই হিজার্বি’র অ্যাকাউন্ট খোলেন হানিফা।

হানিফা বলেন, ‘ভাবলাম, হিজাবে বার্বিকে কখনও দেখিনি। তাই ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খুলে আমার বার্বিকে সাজাতে শুরু করলাম। হিজার্বি’র পোশাকগুলো আমারই তৈরি। মনে হয়েছিল, বার্বি’কে আমার মতো দেখতে হলে কেমন হয়?’

মডেস্ট ডল : ২৪ বছরের হানিফা ব্রিটেনে ফার্মাকোলজিতে স্নাতকোত্তর করেছেন। তার বার্বিকে তিনি বলতে চান ‘মডেস্ট ডল’। হানিফা তাঁর বার্বির অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন ইসলাম ধর্মে। সেই ধর্মের সংস্কৃতিতে।

হানিফা জানান, ‘এতদিনের দেখে আসা বার্বি পুতুলগুলোর পোশাক একটু বেশিই খোলামেলা। তাতে দোষ নেই। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম আমার মতো মুসলিম মেয়েদের আরেকটা অপশন দিতে।’

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক : সোশ্যাল নেটওয়ার্কে হাজার হাজার ফলোয়ার হিজার্বি’র। এত ভাল প্রতিক্রিয়া পেয়ে হানিফাও বেজায় খুশি। তার ইচ্ছে, ইনস্টাগ্রামে হিজার্বি’র নিজস্ব বাজার তৈরি করা। সারা বিশ্ব জুড়ে হানিফার হিজার্বি’কে কিনতে চেয়ে অনুরোধ করছেন বার্বি-প্রেমীরা। নাইজেরিয়ায় তিনি কৃষ্ণাঙ্গ বার্বি খুঁজে পাননি। তাই বিদেশ থেকে আনাতে হচ্ছে পুতুলগুলো। তারপর সেগুলো সাজাবেন তিনি। এত ইতিবাচক সাড়ার পরেও হানিফাকে শুনতে হয়েছে, যারা হিজাব পরে তাদের আসলে দাবিয়ে রাখা হয়।

হানিফা বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন, মুসলিম মহিলারা হিজাব পরেন, কারণ তাদের বাধ্য করা হয়। এটা ঠিক নয়। বেশিরভাগই পরেন নিজের ধর্ম বোঝাতে। অনেকেই আবার চুল ঢেকে রাখেন না। তাতে এটা প্রমাণিত হয় না যে, তারা সত্যিকারের মুসলিম নন।






মন্তব্য চালু নেই