মেইন ম্যেনু

ইবিতে ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর, প্রক্টর অফিস ভাংচুর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের এক কর্মীকে মারধোরের জের ধরে প্রক্টর অফিস ভাংচুর করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের ঝিনাইদহ গ্রুপের এক কর্মী মারধরের শিকার হলে ছাত্রলীগের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে প্রক্টর অফিস ভাংচুর চালায়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন আগে বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমানের সাথে ছাত্রলীগের ঝিনাইদহ শৈলকূপা গ্রুপের কর্মী জাহিদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে জাহিদকে মারধোর করে শৈলকূপা গ্রুপের নেতাকর্মীরা। মারধোরের এক পর্যায়ে জাহিদ দৌড়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে দ্বিতীয় দফায় মারধোর করে। বিষয়টি শৈলকূপা গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা ক্যাম্পাসে শাহীন গ্রুপের নেতাকর্মীদের খুঁজতে থাকে। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহীন গ্রুপের কর্মীরা প্রক্টরের অফিসে অবস্থান করছে এমন সংবাদ পেয়ে তারা প্রক্টর অফিসে ভাংচুর চালায়। ভাংচুরের সময় ছাত্রলীগ কর্মী শাকিল আহমেদ সুমনকে প্রক্টরের অফিসে লাথি মারতে দেখা গেছে। প্রক্টর অফিসের কর্মচারীরা জানান, শৈলকূপা গ্রুপের নওশাদ, নাজমুল, রাকিব, সুমন, কবির, ডলারসহ ৭/৮ জন কর্মী অতর্কিত হামলা চালায়। ভাংচুরের সময় শাহীন গ্রুপের নেতাকর্মীরা প্রক্টর অফিসে তালা মেরে ভিতরে অবস্থান করছিল।

এদিকে মারধোরের ঘটনায় ছাত্রলীগের শাহীন গ্রুপ ও শৈলকূপা গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সংবাদ লেখা পর্যন্ত শাহীন গ্রুপের কর্মীরা ক্যাম্পাসের পাশ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার ও শৈলকূপা গ্রুপের কর্মীরা ঝিনাইদহ গাড়াগঞ্জ নামক স্থানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিল।

ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রক্টর অফিসে অবস্থান করছিলাম। এসময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাফিজ, কবির, সোহেলসহ আরও কয়েকজন প্রক্টর অফিসে হামলা চালায়। তবে আমরা আগে থেকেই ভিতরে তালা মেরে দেওয়ায় তারা আমাদেরকে মারধোর করতে পারেনি।’

শৈলকূপা গ্রুপের নেতা হাফিজুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। তবে বিষয়টি শুনেছি। ক্যাম্পাসে ফিরেই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’






মন্তব্য চালু নেই