মেইন ম্যেনু

ইলিশ চাইবেন মোদি

বাংলাদেশের ইলিশের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। এই ইলিশের স্বাদে সবারই মুগ্ধ করে, মুখে জলও আনে। তবে একটু বেশিই আনে ভারতীয়দের। বাংলাদেশের ইলিশের সবচেয়ে বড় ভক্ত তারা, বিশেষ করে কলকাতার মানুষ।

কিন্তু অভ্যান্তরীণ চাহিদা মেটাতে ২০১২ সালে শেখ হাসিনা সরকার বিদেশে ইলিশ রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। এরপর থেকে এ নিয়ে জোর আপত্তি জানিয়েছে আসছিল ভারত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা সফরে এসে ইলিশ রপ্তানির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেন। তবে বাংলাদেশে থেকে ভারতে ইলিশ চোরাচালানের খবর এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে।

এবার ঢাকায় এসে ভারতে ইলিশ রপ্তানির জন্য কূটনৈতিকভাবে জোর প্রচেষ্টা চালাবেন নরেন্দ্র মোদি। সংবাদমাধ্যম ওয়ানইন্ডিয়া শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ভারতের বাঙালিদের জন্য সু-খবর আসছে। ঢাকা সফরে গিয়ে মোদি শুধু স্থল সীমান্ত, সন্ত্রাসবিরোধী বা বাণিজ্য চুক্তিই করবেন না, ইলিশ রপ্তানির ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাংলাদেশ সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ ব্যাপারে মোদিকে সাহায্য করতে পারেন।

ভারতের মৎস্য অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিজয় মাইতি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী (মোদি) ও মুখ্যমন্ত্রীকে (মমতা) ইলিশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য অুনরোধ করেছি। যদি নিধেষাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় তাহলে ইলিশের দাম এখানে অনেকটাই নিচে মেনে আসবে।’

বিষয়টিতে মোদি ও মমতা একমত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মাছ আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আনোয়ার বলেন, ‘মমতা দিদি গত ফেব্রুয়ারিতে যখন বাংলাদেশ সফরে যান, তখন বিষয়টি তুলেছিলেন। কিন্তু ঢাকা এ ব্যাপারে মনযোগ দেয়নি। এখন আমাদের জেলেরা এখানে ইলিশ পান না। তারা চরম দুর্দশায় জীবনধারণ করছেন। বাংলাদেশি ইলিশ আমাদের বাজারে ব্যাপক চাহিদা। তাই কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধান করা উচিত।’

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ ১ থেকে দেড় হাজার রূপিতে বিক্রি হয় বলে সংবাদে বলা হয়।






মন্তব্য চালু নেই