মেইন ম্যেনু

ইসরাইল যে অধিকারগুলো থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত করেছে

ফিলিস্তিদের কাছ থেকে জবর-দখল করা জমিতে ইসরাইলের বসতি স্থাপন বন্ধে জাতিসংঘের রেজ্যুলেশনে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন ভেটো না দেয়ায় চটেছে ইসরাইল ও তার ঘনিষ্ট কয়েকজন মার্কিন রাজনীতিক। যদিও যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরাইলিদের বর্বরতা দেখেও না দেখার ভান করে আসছে পশ্চিমারা।

ইসরাইল যে সমস্ত অধিকার থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত করছে তার উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হাফিংটন পোস্ট। প্রতিবেদনটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

স্বাধীনভাবে চলাচলে বাধা
ফিলিস্তিনিরা নিজ দেশেই স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছে না। বিশেষ করে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে যখন-তখন ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আগ্রাসন, যাকে খুশি তাকেই বাড়ি থেকে তুলে নেয়া এখন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।

গাজায় পণ্য পরিবহনে ইসরাইলের বিধি-নিষেধ
হামাস শাসিত গাজায় পণ্য পরিবহনে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করেছে ইসরাইল। ২০০৭ সালে গাজায় সরকার পরিচালনার দায়িত্ব হামাস পাওয়ার পর থেকে সেখানে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী এ বিধি-নিষেধ আরোপ করে।

দখলকৃত অংশে পানির নিয়ন্ত্রণও ইসরাইলের হাতে
১৯৬৭ থেকে জবর-দখল করা ফিলিস্তিন অংশে পানির সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরাইল। বিশেষ করে গাজা ও পশ্চিম তীরে পানির জন্য ফিলিস্তিনদের যারপরনাই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত
ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিন হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এমনকি ক্যান্সারে আক্রান্ত অনেক রোগীও চিকিৎসা করতে বাইরে যেতে চাইলে তাদের বাধা দিচ্ছে ইসরাইল।

অধিকৃত এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বহিস্কার
দখলকৃত এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বের করে সেখানে ইহুদী বসতি গড়ে তুলছে ইসরাইল। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে ৬ লাখ ইহুদী বসতি স্থাপন করা হয়েছে।

নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত ফিলিস্তিনিরা
ইজরাইলি আগ্রাসনে নিজেদের ভূমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের। বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পিটাচ্ছে, গুলি করছে। এর ফলে তারা ন্যূনতম নাগরিক অধিকারও পাচ্ছেন না। নিজ দেশে এখন তারা উদ্বাস্তু।

আইনি সুবিধা থেকে বঞ্চিত
অন্য সব মৌলিক সুবিধার সঙ্গে আইনি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। বিভিন্ন সময় ফিলিস্তিন থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া লোকজনদের আট দিন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে ইসরাইলে। অথচ, ইসরাইলি আসামিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই