মেইন ম্যেনু

ই-সিগারেটে ক্যানসার!

ধূমপান ছেড়ে দেয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে অনেকেই ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট ব্যবহার করেন। মার্কিন চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ই-সিগারেট আমাদের কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে যা ক্যানসার তৈরি করতে পারে। গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা যায়, নিকোটিনমুক্ত ই-সিগারেট মানবকোষে ক্যানসার সৃষ্টি করতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়াগো ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক প্রধান জেসিকা ওয়াং-রড্রিগুয়েজ বলেন, তথ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ই-সিগারেট ভালো কিছু নয়। আমাদের গবেষণায় জোরালোভাবে বলা হয়েছে, ই-সিগারেট নিরাপদ বলে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে প্রচার চালায় তা আদৌ সত্য নয়।

গবেষক দল ই-সিগারেট তৈরিকারী দুটি জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানের ই-সিগারেটের ধোঁয়া সংরক্ষণ করেন। পরে তা মানব কোষের চিকিৎসায় পেট্রি ডিসে(গবেষণায় ব্যবহৃত পাত্র) ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য কোষের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যায়, চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মারা গেছে।

গবেষণার মূল অংশে, গবেষক দল স্বাভাবিক অ্যাপিথেলিয়াল কোষ ব্যবহার করেন। অ্যাপিথেলিয়াল কোষ অঙ্গ, গ্রন্থি, মুখ ও ফুসফুসসহ পুরো শরীরের গহ্বরে অবস্থিত।

গবেষকরা নিকোটিনযুক্ত এবং নিকোটিন ছাড়া এই দুই ধরনের ই-সিগারেট পরীক্ষা করেন। নিকোটিন ধূমপান আসক্তি তৈরি করে। যা কোষ নষ্ট করে দিতে পারে।

গবেষণায় দেখা যায়, নিকোটিন মুক্ত ই-সিগারেটের ধোঁয়াও কোষের জন্য যথেষ্ট ঝুঁকির কারণ।

ওয়াং-রড্রগুয়েজ আরও বলেন, ই-সিগারেটে আরও কিছু উপাদান থাকতে পারে, যা কোষের ক্ষতি করতে পারে। গবেষণায় আমরা ক্যানসার তৈরি করে এমন উপাদান পেতে পারি, যা আগে চিহ্নিত করা হয়নি।

গবেষক দল ই-সিগারেটের অন্যান্য পদার্থগুলো বের করার চেষ্টা করছেন, যেগুলোর নির্দিষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাজারে ৫০০ ব্র্যান্ডের সাত হাজার ফ্লেভার সমৃদ্ধ ই-সিগারেট রয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই