মেইন ম্যেনু

আসছে ভারতীয় শাড়ি, থ্রি পিছ ও মাদক দ্রব্য

ঈদকে সামনে রেখে কলারোয়া সীমান্তের চোরাচালানের পয়েন্টগুলো উম্মুক্ত হয়ে পড়েছে

একরামুল কবীর, ষ্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সাতক্ষীরা : ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সীমান্তের চোরাচালানের পয়েন্টগুলো উম্মুক্ত হয়ে পড়েছে। চোরাচালানীরা ভারত থেকে অবাধে নিয়ে আসছে মদ, ফেনসিডিল, শাড়ি, থ্রিপিছ, প্যান্ট পিছ জিরা, কসমেটিকস্ ্সামগ্রী সহ বিভিন্ন ধরনের ইলেট্রনিক্স পণ্য। ঐ সমস্ত চোরাচালনীদের পরোক্ষভাবে সাহায্য করছে থানার পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি এর কিছু অসাধূ অফিসার ও জওয়ানরা।

কলারোয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিন ভোর থেকে সারা দিন সারা রাত দল বেধে চোরাচালানীরা ভারত থেকে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের মালামাল নিয়ে আসছে। ঐ মালামাল আনার কাজে তারা মটর সাইকেল,নছিমন,পিকআপ,ব্যাটারী ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করছে।প্রায়ই দেখা যায় এক সাথে ২০ থেকে ৩০ টি মটর সাইকেল অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছুটি আসছে উপজেলা শহরের দিকে। এ সময় তারা রাস্তা ফাঁকা করার জন্য উচ্চস্বরে চেচামেচি করে,হর্ণ বাজায় ও বাঁশি বাজিয়ে এক প্রকার ভীতি কর পরিবেশ সৃষ্টি করে। কলারোয়া পৌর বাজারের কাঁচা বাজার, কাছারী মসজিদের পার্শ্বে,তুলশীডাঙ্গা,ঝিকরা ও গদখালী গ্রামের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্য দিনের বেলা বসে চলে ঐ চোরালানী পন্যের বেচাকেনা। এসব স্থানে যশোর,সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসে ঐ সব মালামাল কিনতে। প্রশাসনের নাকের ঢগায় এসমস্ত মালামাল বিক্রি হলেও কখনও কোন প্রকারের অভিযানের কথা শোনা যায়নি।

বিজিবি এর সদস্যরা মাঝে মধ্যে সীমান্ত এলাকায় লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে কিছু মালামাল আটক করে।কিন্তু সে গুলো অতি সামন্য । আর থানা পুলিশের পক্ষ চোরাচালানীর মালামাল আটক করার তেমন কোন তৎপরতা দেখা যায় না।

একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে চোরাচালানীরা ব্যাপক ভাবে নেশা জাতীয় সামগ্রী ও থ্রি,পিছ,প্যান্ট পিছ ও শড়ি নিয়ে আসছে । আর এসব মালামাল কলারোয়া বাজার ও এলাকার পাইকারী বাজার ঝাউডাঙ্গার প্রায় সব কটি দোকানীরা এসব ভারতীয় মালামাল কিনে অবাধে বিক্রি করছেন।






মন্তব্য চালু নেই