মেইন ম্যেনু

ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় নকল প্রসাধনীয় সামগ্রীতে বাজার সয়লাব

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা: ভোলা জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলার বাজারগুলোতে ঈদকে সামনে রেখে নকল ও মেয়াদউত্তীর্ন প্রসাধনীতে সয়লাব। বিভিন্ন প্রসাধনীর দোকানের পাশাপাশি এখন মুদি ও ফাস্টফুডের দোকান গুলোতেও পরসা সাজিয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। নকল ও মেয়াদউত্তীর্ন প্রসাধনী কিনে ক্রেতারা প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছে।পাশাপাশি এসব ব্যবহারের কারণে মানুষের শরীরে সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকমের কঠিন রোগ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেসব পন্যসামগ্রী ক্রেতাদের কাছে চাহিদা বেশী সেটি হুবুহুব নকল করার কয়েক হাজার কারখানা রয়েছে দেশের বিভিন্ন জাগায়। আর এসব নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানাগুলো থেকে নকল প্রসাধনী সরবারহ করে জেলা ও উপজেলার প্রতিটি হাট বাজারে তা পাইকারীও খুচরা বিক্রি করে স্থানীয় পাইকারী ব্যবসায়ীরা।
পাশাপাশি মেয়াদউত্তীর্ন পণ্য গুলোর গায়ে থাকা মেয়াদের উপর স্টীকার লাগিয়ে কিংবা ঘষামাজা করে এসব অসাধু পাইকারী ব্যাবসায়ীরা ক্রেতা ঠকাচ্ছেন প্রতিনিয়তই। বিয়ে বাজার, ইত্যাদি কর্নারসহ ভোলা পৌর শহরের নামকরা বেশ কিছু প্রসাধনীর দোকানের মালিকরাই খোঁদ জড়িত এই ব্যবসার সাথে। দীর্ঘদিন যাবত এ সকল দোকানে প্রকাশ্যে নকল প্রসাধনীর রমরমা ব্যবসা চালিয়ে অসলেও জেলার প্রশাসন ও সংশিলিষ্ট কতৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যথা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোলা পৌর শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে থাকা ফাস্টফুড, মুদিও কসমেটিসের দোকানে পড়সা সাজিয়ে বিক্রি হচ্ছে এসব নকল প্রসাধনী ও খাবার।একাধীক প্রসাধনী ব্যবসায়ীর সাথে আলপকালে জানা যায়, যেসব প্রসাধনীর বেশী চাহিদা রযেছে সেসব প্রসাধনী পণ্যগুলো বাজারে আসার কয়েক দিনের মধ্যেই তা হুবুহুব নকল করা হয়। বডি স্প্রে, ক্রিম ছাড়াও নকলের তালিকায় রয়েছে ডাব, ইম্পেরিয়াল ব্রান্ডের সাবান ও চুলের কালার। অপরদিকে এসব নকল প্রসাধনী ব্যবসায়ীদের নকল প্রসাধনী ব্যবসা বন্ধে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সচেতন ক্রেতারা।






মন্তব্য চালু নেই