মেইন ম্যেনু

ঈদের নামাজে এক কাতারে মুশফিক-আমলা

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাংলাদেশের টি-২০ এবং বাংলাদেশের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজের হার। এবার শুরু হবে টেস্টের লড়াই। তবে এর মধ্যেই আসে খুশির ঈদ। আর সেই ঈদকে একসঙ্গেই পালন করছেন দু’দলের খেলোয়াড়রা।

যদিও বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদেরকে ঈদের জন্য দু’দিনের সংক্ষিপ্ত ছুটি দেয়া হয়েছে। তবুও বাংলাদেশ দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়ে গেছেন চট্টগ্রামে। এরা হলেন- টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, পেসার রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও লিটন দাস। তাদের সঙ্গে রয়েছেন বিসিবির কর্মকর্তারাও। আর বাকিরা এ সুযোগে ছুটি কাটাতে নিজেদের পরিবারের কাছে ছুটে গেছেন।

তাই মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন মসজিদে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের জামাত পড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হাশিম আমলা এবং বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম। তাদের সঙ্গে আরো ছিলেন মাহমুদউল্লাহ, তাইজুল ইসলাম, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ইমরান তাহির এবং ফরাহন বেহার্ডিয়েন। এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কয়েকজন কর্মকর্তাও একই কাতারে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এদিকে মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ দু’জনই বায়রা ভাই। দু’জনেরই পরিবার রয়েছে চট্টগ্রামের হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে। সুতরাং হোটেলে বসেও তারা পরিবারের আমেজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না। এছাড়া চট্টগ্রামেই বাড়ি দলের ওপেনার তামিম ইকবালের। ঈদের নামাজ শেষে কাজির দেউড়িস্থ তামিম ইকবালের বাসায় মুশফিকদের দাওয়াত। তাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররাও। তাদেরকেও দাওয়াত দিয়েছেন তামিম। তামিমের বাসা থেকে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ-মুস্তাফিজদের যাওয়ার কথা রয়েছে বিসিবির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাসিরের বাসায়।






মন্তব্য চালু নেই