মেইন ম্যেনু

‘ঈশানাকে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলতেন মারুফ খান’

মডেল মৌনিতা খান ঈশানাকে ইঙ্গিতপূর্ণ কথাবার্তা বলতেন নাট্য নির্মাতা মারুফ খান প্রেম। এমন ধরনের কথা বলা হয়েছে ‌ঈশানার পক্ষে দেওয়া মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন ঈশানার মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আবেদন করেন। আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে।

পরিবর্তনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিনেত্রী ঈশানা মহাযাত্রী নাটকে শুটিং শুরু করার পর থেকেই বাদী অহেতুক শুটিং সেটে ও মেকআপ রুমে বসে থাকেন। ঈশানার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চান। বিভিন্ন ধরনের ইঙ্গিতপূর্ণ কথাবার্তা বলেন। বাদীর এমন আচরণে ঈশানা বিরক্ত হয়ে ঘটনার তারিখে মেকআপ রুমে উপস্থিত ও অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে বলেছিলেন, ‘আমরা কাজ করি পরিচালকদের নির্দেশনায়। একজন প্রযোজক কেন অহেতুক শুটিং সেটে এসে দালালি করবে এবং ঈঙ্গিতপূর্ণ কথাবার্তা বলবে।’ ‌ঈশানার এ কথাটি রেকর্ড করা হয় এবং বিষয়টি বাদীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। বাদী অন্যের প্ররোচণায় ভুল বুঝে মামলাটি দায়ের করেন। সার্বিক তদন্ত, প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও জব্দকৃত আলামত পর্যালোচনা করে আসামি মৌনিতা খান ঈশানার বিরুদ্ধে অভিযোগ তথ্যগত ভুল বলে প্রমাণিত হয়। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়।

ঈশানার আইনজীবী এমদাদুল হক লাল বুধবার বলেন, ঈশানার মামলায় দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিদেনটি বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওই আদালত এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করলে ঈশানা খালাস পাবেন। ঈশানা খালাস পাবার পর প্রেমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

গত ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে ঢাকার মহানগর হাকিম মো. মারুফ হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ঈশানা।

মামলায় বলা হয়েছে, শুটিং সেটে বাদী প্রযোজক মারুফ খান প্রেমের অনুপস্থিতিতে ঈশানা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। সঙ্গে তার ফেসবুক পেজে একটি মানহানিকর স্ট্যাটাস পোস্ট করেন।

এতে বাদীর সুনামহানি, সামাজিক ও আর্থিকভাবে ১ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী প্রযোজক অভিনেতা মারুফ খান প্রেম ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মৌনিতা খান ঈশানার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা ও গত ১ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে আরেকটি মামলা করেন।






মন্তব্য চালু নেই