মেইন ম্যেনু

উকুন সমস্যা সমাধানে কার্যকরী উপায়

চুলের জন্য উকুন একটি জাতীয় সমস্যা। এরা সকল পাখি এবং সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীর গায়ে বহিঃপরজীবি হিসেবে বাস করে। বেশির ভাগ উকুনই পঁচা-খাদক (scavengers), এরা আশ্রয়দাতার চামড়া এবং চামড়ার উপরস্থ ময়লা খেয়ে থাকে। কোনো কোনো প্রজাতি রক্ত এবং তেলগ্রন্থি নিঃসৃত তেল খেয়ে বাঁচে।

এই উপমহাদেশে যে সব রোগ সব চেয়ে বেশি দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম হলো উকুন। উকুনকে অনেকে খুবই সাধারণ ব্যাপার হিসেবে গ্রহণ করেন একে মোটেও রোগ হিসেবে মনে করতে চান না। অথচ তারা জানেন না যে উকুনের কারণে টাইফাস নামের একটি জটিল রোগ হতে পারে। আজ উকুন সমস্যার প্রতিকার নিয়ে আজ আলোচনা করবো।

চলুন জেনে নেই উকুন সমস্যা থেকে মুক্তির কিছু উপায়:

১। অনেকের কাছে উকুন অত্যন্ত লজ্জা জনক ব্যাপার। তাই উকুন তারাতে হলে প্রথমেই আপনাকে যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নিয়মিত গোসল করতে হবে, চুলে শ্যম্পু করতে হবে ও যথাযথ উপায়ে মাথার চুল আঁচড়াতে হবে।

২। অলিভ অয়েল উকুন তাড়াতে বেশ কার্যকরী। অলিভ অয়েলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান মাথার ত্বককে উকুনের হাত থেকে রক্ষা করে। এইজন্য আপনাকে সারারাত চুলে অলিভ অয়েল লাগিয়ে রাখুন ও একটি কাপড় দিয়ে চুল মুড়িয়ে রাখুন। এতে মাথার ত্বকে একটি ভাপ সৃষ্টি হবে। সকালে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে অনেকাংশে উকুন চলে যাবে।

৩। উকুন মাথায় গরম ভাপ সহ্য করতে পারে না। তাই হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোলে চুল গোড়া থেকে গরম হয় মাথা থেকে উকুন চলে যায়। তখন অনায়েসে চুল আঁচড়ে উকুন দূর করতে পারবেন। মনে রাখবেন হেয়ার ড্রায়ার ও হেয়ার স্ট্রেইটনার বেশি ব্যবহার করবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

৩। হেয়ার স্টাইলার জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি চুলকে উকুন মুক্ত রাখতে চমৎকার কাজ করে। চুলের গোড়ায় ভালো মতো হেয়ার স্টাইলার জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি মাখিয়ে রাখুন ৩০ মিনিটের মতো। এরপর ভালো করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। উকুন দূর হবে দ্রুত।

৪। মেয়োনেজে অ্যান্টিফাঙ্গাল এলিমেন্ট থাকে যা মাথার ত্বকে পৌঁছে উকুন মরতে সহায়তা করে। পুরো চুলে ভালো করে মেয়োনেজ মেখে ঘুমোতে যান। মাথায় সাওয়ার ক্যাপ পড়তে ভুলবেন না। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুলের উকুন সমস্যা দূর করতে পারবেন।

চুলের ও মাথার ত্বকের সবচাইতে বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা হচ্ছে উকুনের সমস্যা। উকুনের সমস্যা একবার শুরু হলে মাথা থেকে দূর করা ভীষণ কষ্টকর হয়ে যায়। নানান ধরনের ক্যেমিকেল ব্যবহার করে উকুন দূর করতে পারলেও চুল হয়ে পড়ে রুক্ষ্ম। এমনকি চুল পড়া শুরু করে ভয়াবহ ভাবে। কিন্তু যদি ঘরোয়া ভাবেই উকুনের বংশকে নির্বংশ করা যায় এবং চুলের স্বাস্থ্যও ঠিক থাকবে। -সূত্র: ডিজাবল্ড।






মন্তব্য চালু নেই