মেইন ম্যেনু

উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে ফাঁদে ফেলছে জঙ্গিরা

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, জঙ্গি কার্যক্রমে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য নামি-দামি প্রতিষ্ঠানের উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে ফাঁদে ফেলছে জঙ্গিরা। কারণ তাদের একটু প্রশিক্ষণ দিলেই হামলা করতে পারে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ‘শিক্ষার উন্নত পরিবেশ- জঙ্গিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাদরাসাকে জঙ্গি তৈরির কারখানা বলা হতো। কিন্তু বাস্তবে প্রমাণ পাওয়া গেল যারা বোমা মারতে যায় তারা নামি দামি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। অনেক শিক্ষকও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। এদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা শিক্ষার্থীদের দিকে নজর রাখুন। সন্দেহ হলে খোঁজখবর নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসকে জানান।

এসময় দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের কঠোর সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ক্লাসে পড়াশুনা হয় না বলেই শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে যেতে হয়। তাই এ নিয়ে কোনো ব্যাখার দরকার নেই। শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য ও কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। এসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণের টাকায় আপনাদের বেতন হয়। সেই টাকা জায়েজ করতে হবে। আপনাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কথা বলা লাগবে না। দেশের মানুষই আপনাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানাবে। সেই পরিবেশ তৈরি করুন।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে ও যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্রের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস মাহামুদ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আবদুস সামাদ, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর ও পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান।

এসময় বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুদ্দোজা, যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেলিনা ইয়াসমিন ও নড়াইলের মনোরঞ্জন কাপুড়িয়া কলেজের অধ্যক্ষ তাপসী কাপুড়িয়া।

মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই