মেইন ম্যেনু

উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত মেয়েরা, বাড়ছে নিপীড়ন নির্যাতন

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ: বর্তমান সরকার নারী শিক্ষা উন্নয়নের জন্য বিনা মূল্যে বই বিতরণ, দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনা বেতনে অধ্যয়ন ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা চালু করেছেন। ফলে দেশে নারী শিক্ষার হার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এর পাশাপাশি চাকুরীর ক্ষেত্রে ৬০শতাংশ নারীদের জন্য কোটা নির্ধারণ করেছেন। নারী শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি পরিবারে সংসারে নেমে এসেছে শান্তির সু-বাতাস।

এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ভূমিকা অনিস্কার্য। তার দিক নিদের্শনা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রতিটি এলাকায় এম,পি, চেয়ারম্যান, মেম্বার ও প্রশাসনকে নিয়োজিত রেখেছেন। এরা কোন স্থানে, কোন গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দরকার তার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠালে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে।

অথচ টেকনাফ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে উচ্চ শিক্ষার জন্য মাত্র একটি ডিগ্রী কলেজ, একটি বেসরকারী ইন্টারমেডিয়েড কলেজ রয়েছে। ১৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৫টি মাদ্রাসা রয়েছে। উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ পরুষ মহিলা মিশ্রিত এবং পুরুষ শাসিত। এ ছাড়া এগুলো রয়েছে প্রতিটি ইউনিয়নের সদর এলাকায়।

কিন্তু টেকনাফের বাহারছড়া দীর্ঘতম একটি ইউনিয়নে মাত্র দু’টো মহিলা-পুরুষ মিশ্রিত উচ্চ বিদ্যালয়। এখানে আরও ২টি যেমনি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন তেমনি নারী শিক্ষার উন্নয়নের জন্য ইউনিয়নের মধ্যখানে একটি মহিলা কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে উক্ত ইউনিয়নে উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই বললে চলে।

বাহারছড়ার আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ সাইফুল্লাহ কোম্পানী বলেন, বাহারছড়া ইউনিয়নে শিক্ষার হার মাত্র ৪শতাংশ। তৎমধ্যে ১৯শতাংশ মহিলা অশিক্ষিত। ফলে এখানকার প্রতিটি সংসারে মহিলা অশিক্ষিত থাকায় ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকে। অনউন্নত থেকে যাচ্ছে এলাকা। এখানে নারী শিক্ষার উন্নয়ন হলে ইউনিয়নের চেহারা পাল্টে যাবে।

এদিকে আরও একটি অবহেলিত জনপথের নাম দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন। সেখানেও পুরুষ-মহিলাদের উচ্চশিক্ষার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। গোটা ইউনিয়নে একটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে।

এখানে নারী পুরুষ উচ্চ শিক্ষিত করতে হলে একটি উপকূলীয় কলেজ খুবই প্রয়োজন বলে ইউনিয়নের নব-নিবার্চিত চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ জানান। এর পাশাপাশি রয়েছে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন। এখানেও একই অবস্থা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জানায় টেকনাফ আর্থিক ও ব্যবসায়িক ভাবে সচ্ছল হলেও কিন্তু শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে টেকনাফ উপজেলায় শিক্ষার হার ১০শতাংশ অথচ আমরা সরকারকে ফাকিঁ দেওয়ায় জন্য ৩০শতাংশ শিক্ষার হার দেখায় ।

ইদানিং বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার জেলাও টেকনাফকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে সাজানের জন্য যে পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তার পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও আমুল পরিবর্তন আনার জন্য একটি কলেজ কাম বিশ্ব বিদ্যালয়, একটি মহিলা কলেজ ও প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইন্টারমেডিয়েট মানের কলেজ স্থাপনের দাবী স্থানীয় জনগণের।






মন্তব্য চালু নেই