মেইন ম্যেনু

উন্নয়ন দেখাতে ১৫ কোটি টাকার ডিজিটাল স্ক্রিন বসাবে সরকার

সরকারের কর্মকাণ্ড হিসেবে হাতে নেয়া পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্প ও নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড রাজধানীর পাঁচটি জনসমাগম এলাকায় ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে। আর এর জন্য সরকার ব্যয় করবে প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, কমলাপুর রেল স্টেশন, সদরঘাট, সংসদ ভবন এলাকার ন্যাম ভবন ও এয়ারপোর্ট এলাকায় প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ডিজিটাল স্ক্রিনে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করা হবে। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘শোকেজিং প্ল্যানড ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। যা পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ব্যয় করা হবে।

ডিজিটাল স্ক্রিনে থাকছে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল), রাজধানীর মেট্রোরেল, এলএমজি টার্মিনাল, আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট, কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পায়রা গভীর বন্দরও।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা ঢাকার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রাথমিকভাবে ডিজিটাল স্ক্রিন বসাবো। এখানে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করবো। এরপর বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল স্ক্রিনে সরকারের উন্নয়ন প্রচার করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে যেমন গতি এছে তেমনি অর্থনীতির সকল সূচকে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে চলেছে। আমাদের এখানে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস, মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে। এছাড়া ট্যানেল হবে সাংহাইয়ের মতো, যা আমরা কল্পনাও করি নাই। তবে এ কাজগুলো সম্পর্কে জনগণ জানে না। জনগণ না জানলে কাজ অর্থবহ হয় না। তাদের সম্পৃক্ত না করতে পারলে আমাদের ব্যর্থতা থেকে যাবে। এ কারণে আমরা এই বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছি।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রধান লক্ষ্য সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। তাই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলাফল জনগণের মধ্যে তুলে ধরা প্রয়োজন। ছোট বড় সব কাজ ডিজিটালাইজড করে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।’






মন্তব্য চালু নেই