মেইন ম্যেনু

‘উৎপাদিত পণ্যের জন্য বাজার খুঁজতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পণ্যের মানোন্নয়নের পাশাপাশি নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোক্তাদের তাগিদ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং আমাদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য বিশ্বে বাজার খুঁজতে হবে।

শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২১তম আসরের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা বেশি, তা বিবেচনা করে উৎপাদন ও রপ্তানির পরিকল্পনার ওপর জোর দেন। সে সঙ্গে শিল্পের প্রক্রিয়াজাতকরণে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহবান জানান।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত এবারের মেলায় বিশ্বের পাঁচ মহাদেশের ২২ দেশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাতটি দেশ এবারই প্রথম মেলায় অংশ নিচ্ছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মেলার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আয়োজনের ফলে উৎপাদিত পণ্যের মান বৃদ্ধিরও সুযোগ সৃষ্টি হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দেশি-বিদেশি ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে পরিচয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বাণিজ্য বৃদ্ধিরও সুযোগ সৃষ্টি হয় এ আয়োজনে ।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে গুরুত্ব আরোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মাছ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারি। শুধু বিদেশে কেন, দেশেও প্রক্রিয়াজাত মাছের বাজার আছে।’ ফুল রপ্তানি নিয়েও উদ্যোক্তাদের সামনে একই প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও রপ্তানিতেও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘রপ্তানির বহুমুখীকরণ হলে আমরা উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করতে পারব।’

বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশিদের ধারণা পাল্টে গেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে এক সময় করুণার চোখে দেখত, তারাই এখন বাংলাদেশের প্রশংসা করছে।’ তিনি জানান, এখন বাংলাদেশের ৭২৯ ধরনের পণ্য বিশ্বের ১৯২ দেশে রফতানি হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে যেখানে বার্ষিক রফতানি আয় ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার তা ৩১ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য তাজুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ এবং রফতানিনি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু বক্তব্য রাখেন।






মন্তব্য চালু নেই