মেইন ম্যেনু

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

এইচএসসি ও সমমানের (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা শুরু হয়েছে রবিবার সকাল ১০টায়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার এ পরীক্ষায় ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এসএসসির মতো এ পরীক্ষায়ও প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরে রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিটের বিরতি থাকবে। আগে প্রথমে রচনামূলক পরে বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হতো।

প্রথম দিন সকালে এইচএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র, বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রথমপত্র, বাংলা (আবশ্যকি) প্রথমপত্র (ডিআইবিএস)। আলিমে কুরআন মাজিদের পরীক্ষা হচ্ছে। কারিগরিতে সকালে বাংলা-২ (১১২১) পরীক্ষা হচ্ছে ও বিকেলে হবে বাংলা-১ (১১১১) বিষয়ের পরীক্ষা।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। বিকেলের পরীক্ষা হবে ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

এইচএসসির তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা শেষ হবে ৯ জুন। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ জুন শুরু হয়ে শেষ হবে ২০ জুন।

এবার ৮ হাজার ৫৩৩টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ২ হাজার ৪৫২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ২৬২ জন।

পরীক্ষার প্রথম দিন সকাল ১০টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।

মোট অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর মধ্যে এবার ছাত্র ৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন ও ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৪ জন।

পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে ১০ লাখ ২০ হাজার ১০৯ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৯১ হাজার ৫৯১ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এক লাখ ২ হাজার ১৩২ জন ও ডিআইবিএসে (ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ) ৪ হাজার ৭৯৬ জন।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে তিন লাখ ৩৯ হাজার ৫২৩, রাজশাহী বোর্ডে এক লাখ ১৭ হাজার ৫৬৮, কুমিল্লায় এক লাখ ৯ হাজার ৬৩৩, যশোরে এক লাখ ৩৫ হাজার ৪৬, চট্টগ্রামে ৮৭ হাজার ৪৬৩, বরিশালে ৬২ হাজার ৪৮১, সিলেটে ৬৩ হাজার ৯৫৭ ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ৪ হাজার ৪৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

নতুন ছয়টি বিষয়ের ১১টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হওয়ায় এ বছর ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হচ্ছে।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলসিজনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এ ধরনের পরীক্ষার্থী ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ রয়েছে।

এ ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক ও ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় ও পরীক্ষার কক্ষে অভিভাবক , শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই