মেইন ম্যেনু

এই একটি ক্ষেত্রে ভারতের থেকে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান অন্ধকারেই

সারা পৃথিবীতেই বর্তমানে লিঙ্গ বৈষম্য বিষয়ক সচেতনতা বাড়ছে। দাবি উঠছে সর্বক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমতা আনয়নের। কিন্তু তা সত্ত্বেও এখনও সমাজ ও অর্থনীতির যা পরিকাঠামো, তাতে এই মুহূর্তে পুরুষ ও নারীর সমতার বিষয়টি বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। এবং দেখা যাচ্ছে, একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীর সমতা আসতে এখনও ঢের দেরি রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম(ডব্লিউইএফ)-এর ২০১৬ সালের রিপোর্টে এমনটাই প্রকাশ্যে এসেছে।

ডব্লিউইএফ-এর এই বার্ষিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭০ বছরেও আর্থিক ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের সমকক্ষতা অর্জন করতে পারবে না। আর্থিক উপার্জনের জায়গায় পুরুষ ও নারীর বিভেদ ২০০৮ সালে যে জায়গায় ছিল, সেই জায়গাতেই আবার ফিরে গিয়েছে। ২০১৩ সালে এই বৈষম্য সবচেয়ে কমেছিল। কিন্তু এরপর এই বিভেদ আবারও বাড়ছে। রিপোর্টে এই মত প্রকাশ করা হয়েছে যে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বোঝা যাচ্ছে যে, আগামী ১৭০ বছরেও নারী-পুরুষের এই আর্থিক বিভেদ মেটার নয়।

নারী-পুরুষের আর্থিক বিভাজনের মূলে রয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে মেয়েদের অনগ্রসরতা। জানানো হয়েছে, আগামী ১০ বছরে এই দূরত্ব অনেকটাই কমিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। এছাড়াও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীরা বহুলাংশে পিছিয়ে রয়েছে পুরুষদের তুলনায়। যদিও ২০০৬ সালের পর থেকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ দূরত্ব ৯ শতাংশ কমে এসেছে।

মোট ১৪৪টা দেশকে কেন্দ্র করে ১৪টি ক্ষেত্রের উপর এই লিঙ্গ বৈষম্য বিষয়ক রিপোর্ট প্রতি বছর প্রকাশ করে ডব্লিউইএফ। রিপোর্ট অনুযায়ী ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, রোয়ান্ডার মতো দেশগুলি রয়েছে তালিকার একেবারে প্রথম দিকে। এই সমস্ত দেশে সামগ্রিক বিচারে নারী-পুরুষের বৈষম্য ৮২ শতাংশ কমেছে বলে জানাচ্ছে রিপোর্ট।

লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে অনেকটা উন্নতি হয়েছে ভারতের। এক বছরে তালিকার ১০৮ তম স্থান থেকে ভারত উঠে এসেছে ৮৭ নম্বর জায়গায়। প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তানের অবস্থান অত্যন্ত খারাপ। ১৪৪টি দেশের তালিকায় ১৪৩ নম্বর নামটি পাকিস্তানের। তবে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে ভারতের তুলনায়। ভারতের চেয়ে ১৫ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ অধিকার করেছে তালিকার ৭২ তম স্থানটি।






মন্তব্য চালু নেই