মেইন ম্যেনু

এই রশ্মিই দূর থেকে শত্রুর মিসাইল ধ্বংস করবে চোখের নিমিষে

ক্রমশ আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছে রাশিয়ার। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে গত কয়েকদিন আগে তিন-তিনটি মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে মস্কো। যখন রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকা উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ে এই পরীক্ষা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হিসাবেই মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু অস্ত্র প্রতিযোগিতার নিরিখে কোনওভাবেই থেমে থাকতে নারাজ রাশিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রক। সেখানে দাঁড়িয়ে কার্যত প্রত্যেকদিনই নিত্যনতুন সমরাস্ত্র তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তেমনই একেবারে নতুন একটি ‘মাইক্রোওয়েব গান’ প্রকাশ্যে নিয়ে আসল রাশিয়ান সামরিক আধিকারিকরা। এটি দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে চালকহীন বিমান

বা ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রকে একেবারে অকেজো করে দেওয়া সম্ভব হবে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি একেবারে গোপন মেলায় প্রথম এই অত্যাধুনিক অস্ত্রের কার্যকারিতা দেখানো হয়। ‘মারণ রশ্মি’ ব্যবহার করে এই অস্ত্র দিয়ে শত্রু ড্রোনের বেতার সংযোগ এবং ওয়ারহেড অকেজো করে দেওয়া যায়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে শত্রু ড্রোন। এই জাতীয় অস্ত্রকে সামরিক পরিভাষায় ডাইরেক্টেড-এর্নাজি উইপন বা ডিইডব্লিউ বলা হয়। বিমানের ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থাকে অকেজো করে দেওয়ার জন্য আলট্রা হাই ফ্রিকোয়েন্সি ইমপালস ব্যবহার করা হয় এতে। এই অস্ত্র থেকে অতি উচ্চ কম্পাঙ্কের বেতার তরঙ্গে নিক্ষেপ করা হয়। আর সেই কারণেই এই মারণাস্ত্রকে ‘মাইক্রোওয়েব গান’ বলা হয়। এই অস্ত্র থেকে নিক্ষিপ্ত বেতার তরঙ্গকে ‘মারণ রশ্মি’ বা ‘ডেথ রে’ বলা হয়।

অস্ত্রটি তৈরি করেছে রুশ ইউনাইটেড ইন্সট্রুমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কর্পোরেশন বা ইউআইএমসি। নতুন জাতের এমন অস্ত্র বিশ্বে আর কেউ এখনও পর্যন্ত বানায় নি। পরীক্ষামূলক অস্ত্র কার্যকর ভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, যেভাবে রাশিয়া প্রত্যেকদিন নিত্যনতুন অস্ত্র তৈরি করছে আর তা নিজেদের ভান্ডারে পুড়ছে তাতে আমেরিকা তো দূর অস্ত, চিনকেও পর্যন্ত অনেকটা পিছনে ফেলে দিয়ে একেবারে সুপার-পাওয়ারে পরিণত হবে।-কলকাতা২৪






মন্তব্য চালু নেই