মেইন ম্যেনু

এই সামান্য কাজটি প্রতিদিন করলেই আর কাছে আসবে না ক্যানসারের ভাইরাস!

কীভাবে প্রতিরোধ করা যেতে পারে এই ক্যানসার? আছে কি কোনও উপায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, আছে। উলফস্টন ইনস্টিটিউটের প্রখ্যাত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ জ্যাক কিউজিক সম্প্রতি কলকাতায় এসে ক্যানসার সংক্রান্ত এক ভাষণে বাতলেছেন সেই উপায়।

বর্তমানে সারা পৃথিবীজুড়েই মারণ রোগ হিসেবে এক ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে ক্যানসার। এবং সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গবাসীদের মধ্যে অন্যতম ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছে পেটের ক্যানসার, অর্থাৎ পাকস্থলী, অন্ত্র বা কোলনের ক্যানসার। পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মধ্যে যাঁরা ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের ১১ শতাংশই আক্রান্ত হচ্ছেন পেটের ক্যানসারে। কিন্তু কীভাবে প্রতিরোধ করা যেতে পারে এই ক্যানসার?

আছে কি কোনও উপায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, আছে। উলফস্টন ইনস্টিটিউটের প্রখ্যাত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ জ্যাক কিউজিক সম্প্রতি কলকাতায় এসে ক্যানসার সংক্রান্ত এক ভাষণে বাতলেছেন সেই উপায়।

কিউজিক জানাচ্ছেন, অ্যাসপিরিন বলে যে ওষুধ বাজারে সহজলভ্য, সেই ওষুধই যদি রোজ একটা করে খাওয়া যায়, তাহলে ক্যানসারের সম্ভাবনা ২০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পায়। এবং পেটের ক্যানসারে এই কৌশল বিশেষভাবে কার্যকর হয়। কিউজিক বলছেন, ‘‘ভারতের মতো একটি দেশে অধিকাংশ মানুষেরই ক্যানসারের চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য থাকে না। ফলে এখানে ক্যানসার প্রতিরোধে বেশি জোর দিতে হবে।

কারণ ক্যানসারের চিকিৎসার তুলনায় তার প্রতিরোধ অনেক কম খরচে সম্ভব। এবং আমরা সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছি, নিয়মিত অ্যাসপিরিন সেবনের ফলে ক্যানসারের আক্রমণ থেকে বাঁচার সম্ভাবনা অনেকখানি বৃদ্ধি পায়।’’ তবে পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষদের শরীরে অ্যাসপিরিনের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। ফলে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে তাঁদের নিয়মিত অ্যাসপিরিন খাওয়া উচিৎ নয় বলেই জানিয়েছেন কিউজিক।

ক্যানসারের প্রতিষেধক হিসেবে অ্যাসপিরিনের কার্যকারিতার কথা অবশ্য কিউজিক একা বলছেন না। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালের গবেষকরাও ইতিপূর্বে জানিয়েছিলেন, রোজ একটা করে অ্যাসপিরিন খেলে ক্যানসারের সম্ভাবনা অনেকখানি কমে আসে। এমনকী কলকাতার ইনস্টিটিইউট অফ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের গবেষকরাও এই তত্ত্বের সপক্ষেই মত দিচ্ছেন।

তাঁরা বলছেন, অ্যাসপিরিন শুধু যে ক্যানসার প্রতিরোধ করে তাই নয়, কোনও কোনও ক্যানসারের মেটাস্টেসিস আটকানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর হয় অ্যাসপিরিন।

তবে ক্যানসার প্রতিরোধের এই অভিনব উপায় সত্যিই কতটা ফলপ্রসূ হতে পারে সেই বিষয়ে ডাক্তারদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বলছেন, ক্যানসার প্রতিরোধে অ্যাসপিরিনের ভূমিকা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু ক্যানসারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এর উপকারী দিকটার তুলনায় বেশি কি না, সেই বিষয়ে গবেষণা হওয়া প্রয়োজন রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই