মেইন ম্যেনু

এই ৫টি কারণে ডিমের খোসা ফেলা আজই বন্ধ করুন

প্রায় প্রতিদিন ডিম খাওয়া হয়ে থাকে। ডিম রান্না করে এর খোসাটি ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি এই ডিমের খোসার আছে ভিন্ন কিছু ব্যবহার? এই ডিমের খোসা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট! আবার এই ডিমের খোসা সারিয়ে দিতে পারে আপনার জয়েন্ট পেইন।

১। ঘরোয়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট
উচ্চ তাপে ১২টি ডিমের খোসা সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করাতে ডিমের খোসা থেকে ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু সব দূর হয়ে যাবে। সিদ্ধ করার সময় চামচ দিয়ে কয়েকবার নাড়িয়ে দিন ডিমের খোসাগুলো। এতে খোসাগুলো ভালভাবে সিদ্ধ হবে। সিদ্ধ হয়ে গেলে ডিমের খোসাগুলো ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ডিমের খোসাগুলো মাইক্রোওয়েভ অথবা ওভেনে দিয়ে শুকিয়ে নিন। ডিমের খোসাগুলো হাত দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। ব্যস আপনার ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট তৈরি হয়ে গেল। প্রতিদিন এক চামচ করে এটি খান। এটি আধা গ্লাস পানি অথবা ফলের রসের সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন।

২। জয়েন্টের ব্যথা উপশম
একটি পাত্রে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এবং একটি ডিমের খোসা ভেঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। এবার এটি রেখে দিন যতদিন পর্যন্ত না ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে না যায়। মোটামুটি ২ দিন রেখে দিলে ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে যাবে। ডিমের খোসায় কোলাজেন, গ্লুকোসামিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকে যা ভিনেগারের সাথে মিশে ব্যথা উপশম করে দেয়। ব্যথার স্থানে এই মিশ্রণটি ম্যাসাজ করে লাগান।

৩। কফির তিক্ততা হ্রাস করতে
কফি পছন্দ করলেও অনেকে এর স্বাদের তিক্ততা পছন্দ করেন না। এই তিক্ততা দূর করার জন্য চিনি ব্যবহার করে থাকেন। এই তিক্ততা দূর করে ফেলুন ডিমের খোসার সাহায্যে। এক চা চামচ ডিমের খোসার গুঁড়ো কফির সাথে মিশিয়ে নিন। ডিমের খোসার ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কফির তিক্ততা কমিয়ে দিয়ে থাকে।

৪। সার হিসেবে ব্যবহার করা
অভ্যন্তরীণ গাছের সার হিসেবে ডিমের খোসা ব্যবহার করা হয়। কুসুম গরম পানিতে সারা রাত ডিমের খোসা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর এই পানীয়টি গাছে ব্যবহার করুন।

৫। ত্বকের চুলকানি দূর করতে
অনেকেই ত্বকের চুলকানি সমস্যা হয়ে থাকে। এই সমস্যা দূর করবে ডিমের খোসা। একটি ডিমের খোসা আপেল সিডার ভিনেগারে ডুবিয়ে রাখুন ২-৩ দিন। এরপর এই মিশ্রণটি ত্বকে লাগান। এটি ত্বকের চুলকানি সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে দিবে।






মন্তব্য চালু নেই