মেইন ম্যেনু

একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৩ হাজার ৫৮৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার মোট ৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরিকল্পনা সচিব তারিক-উল-ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা এবং সাধারন অর্থনৈতিক বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ৮টি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫৮৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ৫৭১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১ হাজার ৯১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৫ টি এবং সংশোধিত প্রকল্প ৩ টি। সম্পূর্ণ জিওবির অর্থায়নে ৪ টি, জিওবি, সংস্থার নিজস্ব ও প্রকল্প সাহায্য অর্থায়নে ১ টি, জিওবি ও প্রকল্প সাহায্য অর্থায়নে ২ টি এবং জিওবি ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ১ টি প্রকল্প রয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘গ্যাস খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এগিয়ে এলে ভাল হবে। আগামীতে সারাদেশে শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। গ্যাস আমদানি করা হলে তখন আর সমস্যা থাকবে না।`

অনুমোদিত প্রকল্প গুলো হচ্ছে- ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-২য় পর্যায় প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। মান সম্পন্ন বীজ সরবরাহ বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা। পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতায় ৭০ হাজার ওভারলোডেড বিতরণ ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন প্রকল্প এবং এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্প ও এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা; ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুড়িং প্রকল্প ও এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প এবং এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। গাইবান্ধা-ফুলছড়ি-ভরতখালী-সাঘাটা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প এবং এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।






মন্তব্য চালু নেই