মেইন ম্যেনু

এক অন্ধ সুন্দরী রাজকন্যার গল্প

বাচ্চাদের পড়ানো একটা বিরাট ঝামেলার কাজ। আর যেসব বাচ্চারা পড়ে বাংলা মিডিয়ামে তাদের জন্য ইংরেজি যেন এক ভীতিরই নাম। তাই যদি বাচ্চাদের ইংরেজি গল্পের মধ্যে দিয়ে ইংরেজিটা পড়ানো যায় তাহলে সেটা বেশি কার্যকর হতে পারে। সেই চিন্তা থেকেই ছোটদের রূপকথার বইটি ইংরেজিতে লিখেছেন নাইস নূর

এবারের বইমেলায় বাজারে এসেছে তার লেখা ‘এ টেল অব ব্লাইন্ড প্রিন্সেস’ বইটি। লেখক বললেন, বইটির প্রচ্ছদ করার সময় যখন চারু পিন্টু ভাইয়াকে বলেছিলাম, এমন একটা প্রচ্ছদ করবেন যেখানে প্রিন্সেসের চোখ খুব সুন্দরী কিন্তু সে অন্ধ। সেটা শুনে তিনি খুব মজা পেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত আর্টিস্ট চারু পিন্টু সেটাই করেছেন। অনেক সুন্দরী কিন্তু অন্ধ চোখের এক প্রিন্সেসের গল্প শোনাবে এই বইটি।

ছোটদের লেখাই বেশি লেখেন নাইস নূর। এটি তার সপ্তম বই। তবে এর আগে বড়দেরও দুটি বই লিখেছেন তিনি। বলেন, আপাতত ইচ্ছে আছে এই বইটিরই একটা সিরিজ লেখার। একটা কার্টুন বইও করতে চাই।

রূপকথা পড়ার কোনো বয়স নেই। তবে এই বইটি লেখার সময় লেখক চেয়েছেন, শিশুরা যেন অনেক মজা নিয়ে পড়ে। এবারই প্রথম ইংরেজিতে কোনো বই লিখলেন নাইস। তাই বইটি নিয়ে প্রত্যাশাও বেশি। পাঠকের কাছে এই লেখক চান, তরুণ লেখকরা লিখছেন। একজন তরুণ লেখক হিসেবে আমিও চাই পাঠক আমার বই কিনবে, পড়বে এবং তার মন্তব্য জানাবে। তাহলে পরবর্তীতে কোনো ভুল থাকলে সেসব ঠিকঠাক করা সহজ হবে।

বইমেলায় বাচ্চাদের আগমন প্রচুর কিন্তু সেই তুলনায় বাচ্চাদের বই অনেক কম। এই লেখক মনে করেন, বাচ্চাদের গল্প লিখছেন অনেকে কিন্তু সেটা মানসম্পন্ন হওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। নাইস নূরের লেখা বইটি প্রকাশ করেছে ঝিঙেফুল প্রকাশনী।






মন্তব্য চালু নেই