মেইন ম্যেনু

এক গ্রামের সকল প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে দেওয়া হলো মৃত্যুদণ্ড

মাদক চোরাচালানের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে দক্ষিণ ইরানের এক গ্রামের প্রাপ্তবয়স্ক সকল পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

তবে ঠিক কতজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে কিংবা কোন গ্রামের পুরুষদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ না করে মৃত্যুদণ্ডের কথা জানিয়েছেন দেশটির নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহিনদুখত মোলাভারদি।শুক্রবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক সংবাদে দেয়া হয়েছে এ তথ্য।

গত সপ্তাহে মাদক চোরাচালানকারীদের মৃত্যুদণ্ডের হার নিয়ে মেহের নামের এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার প্রদানের সময় মোলাভারদি বলেন, সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি গ্রামের সব প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
মোলাভারদি আরও বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া পুরুষদের ছেলেরা সম্ভাব্য মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত। তারা ওই মৃত্যুদণ্ডের প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করতে পারে ও পরিবারের অর্থের যোগানদাতা হতে পারে। তবে এমন মানুষদের পক্ষে কোনো সমর্থন নেই।’

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির প্রশাসন দেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়াদের পরিবারকে সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে। কারণ, তাদের ধারণা সহায়তা না দিলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়াদের পরিবারের সদস্যরা অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরান বিশ্বের অন্যতম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশ। দেশটি চীনের পরেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে থাকে। যার বেশিরভাগই মাদক সংক্রান্ত মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়ে থাকেন।
২০১৪ সালে দেশটিতে ৭৫৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০১৫ সালের প্রথম অর্ধেকেই এ সংখ্যা ৭শ ছাড়িয়ে যায়। ইরান মাদক সংক্রান্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বন্ধ না করলে তাদেরকে সহায়তা দেয়া বন্ধ করে দেয়ার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের মাদকবিরোধী সংস্থা।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন এ ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করেছে।






মন্তব্য চালু নেই