মেইন ম্যেনু

এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই জন প্রধান শিক্ষক !

নীলফামারীর ডোমারে শালকী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই প্রধান শিক্ষকের দ্বন্দে লেখাপড়ার পরিবেশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক দুজন হলেন তৃপ্তি রানী অধিকারী ও কল্যানী রানী অধিকারী।

সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ডোমার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ঐই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। এরই প্রেক্ষিতে ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ের অপর শিক্ষিকা তৃপ্তি রানী অধিকারীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেন। এদিকে অপর শিক্ষিকা কল্যানী অধিকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করলে শিক্ষা অফিসার শাহজাহান মন্ডল জেষ্ঠতার ভিত্তিতে কলানী রানী অধিকারীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেন।

এতে বাঁধসাধে তৃপ্তি রানী অধিকারী। তিনি তার দায়িত্ব হস্তান্তর না করে নিজেই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এমতাবস্থায় জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। উত্তোলিত পতাকার ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে তৃপ্তি রানী অধিকারী ও অপর শিক্ষক আরিফ আহসানের মধ্যে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে আরিফ আহসানের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় তৃপ্তি রানী অধিকারী বলে অভিযোগ করেন শিক্ষক আরিফ আহসান।

এ ঘটনায় শিক্ষক আরিফ আহসান উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ ডোমার থানায় লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার ডোমার থানার এস আই খাদেমুল ইসলাম ঘটনা তদন্তে স্কুলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার তৃপ্তি রানী অধিকারী শিক্ষক আরিফ আহসানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে তৃপ্তি রানী অধিকারী এ প্রতিবেদককে জানায় অফিসের দেয়া আদেশ আমি হাতে পাইনি। বর্তমানে শিক্ষকদের এই দ্বন্দে স্কুলের লেখাপড়ার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহজাহান মন্ডল জানান, দুটি অভিযোগই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে তারই আলোকে প্রয়োজনিও ব্যবস্থা নেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই