মেইন ম্যেনু

এক বছরেও ডিএনএ রিপোর্ট আসে না!

গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন চত্বরের উল্টো পাশে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ফুটপাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে; যার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বও ছিল। এ ঘটনার পর বছর ঘুরতে আর এক সপ্তাহের দিন কয়েক বেশি বাকি। তবে অভিজিতের ডি-অক্সি-রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের কাছে যে আলামত হস্তান্তর করা হয়েছিল তার রিপোর্ট এখনো পুলিশের কাছে এসে পৌঁছায়নি।

শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান। ওই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পুলিশ অভিজিৎ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃতদের ডিএনএর সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখবে।

অভিজিতকে খুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের পর ওই বছরেরই এপ্রিল, মে ও আগস্টে খুন হন সমমনা আরো তিন ব্লগার। অক্টোবরে কুপিয়ে খুন করা হয় প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে, একইদিনে জখম করা হয় আরেক প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুলসহ তিনজনকে। এসব ঘটনার রহস্য উদঘাটন না হলেও পুলিশের সন্দেহ জঙ্গিবাদি সংগঠনগুলোর দিকেই।

অভিজিতের ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমি ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এবার বই মেলার নিরাপত্তা পূর্বের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি জোরদার করা হবে। বাংলা একাডেমির বাইরে আশপাশে অনেক অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থান থাকে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। এবার ওইসব স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। সিসি ক্যামেরার সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে। থাকবে পোশাকধারী এবং সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশও।

আগামী সপ্তাহে বই মেলার নিরাপত্তা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বাংলা একাডেমি এবং ডিএমপি মিটিং করবে বলেও জানান তিনি।

ফেব্রুয়ারিতে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের পর মার্চে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দেন আদালত।






মন্তব্য চালু নেই