মেইন ম্যেনু

এক মাসে তিন বার বিয়ে : অতঃপর আদালতে মামলা

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের গড়িয়ালা গ্রামে এক মাসে দিন বার বিয়ে অতঃপর প্রথম স্ত্রীর আদালতে মামলার করার ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বেড়াখালি গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে তাসলিমা (২৮) একই উপজেলার গড়িয়ালা গ্রামের আলমগীর নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

আট বছর বিবাহিত জীবনে তাদের ঘর আলো করে দুই কন্যা সন্তান। এক জনের বর্তমান বয়স ৯ বছর ও অন্যজনের বয়স পাঁচ বছর। পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছল জীবনের কথা চিন্তা করে আলমগীর চার বছর আগে পাড়ি জমান ওমানে।

প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, স্বামী প্রবাসে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাশের বাড়ির চাচা শশুর মৃত ইসমাইল সর্দারের ছেলে আব্দুল কুদ্দুসের (৪০) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আলমগীর স্ত্রী। এরই মধ্যে প্রবাসী স্বামী দেশে আসার সময় হলে তাসলিমা তার বাবার বাড়ি বেড়াখালি গ্রামে বেড়াতে যায়। এরপর সেখান থেকে একদিন রাতে কুদ্দুসের সঙ্গে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে তার প্রবাসী স্বামী সময়ের আগেই চলে আসে। খোঁজ খবর নিয়ে আলমগীর থানায় অভিযোগ করলে তারা উভয় হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এরপর প্রবাসী স্বামী দুই সন্তানের কথা বিবেচনা করে তাসলিমাকে পুনরায় বিবাহ করে ঘরে তোলেন।

এ ব্যাপারে কুদ্দুসের প্রথম স্ত্রী লাবনী বেগম জানান, তাসলিমার সঙ্গে কুদ্দুসের গোপন অভিসার প্রায় চার বছর ধরে চলে আসছে। আমি একদিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাড়ির লোকজনকে জানায়। আমার উপর প্রায়ই কুদ্দুস অমানবিক নির্যাতন করতো। যা আমার স্বামীর পরিবারের সকলে চেয়ে চেয়ে দেখতো। তাসলিমা আবার যোগাযোগ করে কুদ্দুসকে কোর্টে গিয়ে বিবাহ করে। এভাবে গত এক মাসের মধ্যে তারা তিন বার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আদালতে মামলা করেছি এবং সরকারের কাছে এর বিচার দাবি করেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই