মেইন ম্যেনু

এটা কোনো কথা, আনুষ্ঠানিক অবসর নেয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন না আফ্রিদি!

তিনি বার বার অবসর নেন, বার বার ফিরে আসেন। ক্রিকেটাঙ্গনে এই দুর্নামটা পাকিস্তানের ড্যাশিং অলরাউন্ডার শহিদ খান আফ্রিদির নামের সঙ্গে যেন জুড়েই গেছে। ক্যারিয়ারে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকবার অবসর নেয়ার পর ফিরে আসার রেকর্ড রয়েছে তার। এ কারণে, অনেকেই আফ্রিদিকে বিদ্রুপ করতেও ছাড়েন না।

তবে সম্ভবত এবার আর অবসর ভাঙা-গড়ার খেলা আর কপালে জুটছে না আফ্রিদির। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডই (পিসিবি) সে সুযোগ দিচ্ছে না আর আফ্রিদিকে। আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেয়ার সুযোগ দানের আবেদন করেও লাভ হচ্ছে না তার। পিসিবি সে সুযোগই দিতে ইচ্ছুক নয় আর তাকে।

আফ্রিদির ইচ্ছা ছিল, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে পুরোপুরি গুডবাই বলার আগে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অন্তত একটি সিরিজ কিংবা একটি হলেও ম্যাচ খেলার। সে হিসেবে তার অভিপ্রায়, আরব আমিরাতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলার। এই সিরিজ খেলেই হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেটকে বিদায় বলে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখতেন তিনি।

কিন্তু, আফ্রিদির সে ইচ্ছা যেন পূরণ হবার নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘোষিত পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়নি আফ্রিদিকে। সাবেক অধিনায়ক ইনজামাম-উল হকের নেতৃত্বে থাকা নির্বাচক কমিটি আফ্রিদিকে বাদ দিয়েই ঘোষণা করেছে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দল।

পিসিবি থেকে আফ্রিদির বিষয়ে সরাসরি জানিয়ে দেয়া হয়েছে, দল নির্বাচন সংক্রান্ত সব দায়-দায়িত্ব নির্বাচক কমিটির ওপর। পিসিবি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান হার্ট সার্জারি করানোর কারণে, আপাতত এসব বিষয় নিয়ে চিন্তাও করছেন না। এমনকি নির্বাহী কমিটির প্রধান নাজম শেঠিও রয়েছে ছুটিতে। যে কারণে নির্বাচক কমিটিই এখন এ বিষয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারি।

আফ্রিদি আগেই পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। ওই সময় পিসিবি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান বলেছিলেন, ‘আফ্রিদি একজন পাঠান। আমিও একজন পাঠান। এক পাঠান আরেক পাঠানকে দেয়া কথার বরখেলাফ কখনোই করতে পারে না। আমার বিশ্বাস এবার আর আফ্রিদি অবসরের সিদ্ধান্ত পাল্টাবে না।’

কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের এই অধিনায়ক ঘোষণা করেন পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের চাপে অবসরের বিষয়টি আবারও বিবেচনা করছেন। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স করার পর নানামুখি সমালোচনার মুখে নেতৃত্ব ছাড়েন আফ্রিদি। তবে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। যদিও এরপর থেকে আর পাকিস্তান দলে প্রবেশ করতে পারেননি তিনি।

১৫ সদস্যের পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দল
সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, হাসান আলি, ইমাদ ওয়াসিম, খালিদ লতিফ, মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, রুম্মান রইস, সাদ নাসিম, শারজিল খান, শোয়েব মালিক, সোহেল তানভির, উমর আকমল, ওয়াহাব রিয়াজ।-জাগো নিউজ






মন্তব্য চালু নেই