মেইন ম্যেনু

এতগুলো বিষধর সাপ নিয়ে উৎসবে মেতেছে ওরা

ফনা তুলে রয়েছে শত শত সাপ। তাও আবার যেনতেন সাপ নয়, একবারে বিষধর গোখরা। একটু অসতর্কতাই ডেকে আনতে পারে ভয়ানক বিপদ। ছোবল খেতে হবে বিষধর গোখরার। এমন অবস্থার মধ্যে থেকেও দেখা গেল কারো মধ্যে কোনো দুশ্চিন্তা নেই। সবাই সাপ নিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দেই মেলায় ঘুরতে বেরিয়েছেন।

এই সময়ে ভারতের বিহার রাজ্যে গেলে বিহারে গেলে দেখা যাবে এমন দৃশ্যই। রাজ্যের বেগুসরাই থেকে কিছু দূরে আগাপুরের সাপের মেলা এরকমই। তিথি নক্ষত্র মেনে পালিত হচ্ছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্পদেবতার প্রার্থনা। এই প্রার্থনার উৎসবকে বলা হয় নাগ পঞ্চমী।

হিন্দু পৌরাণিক শাস্ত্র মতে, স্বর্গে দেবতা আর মর্ত্যে মানুষের রাজত্ব। তবে পাতালপুরীর অধীশ্বর নাগরাজ। আর সেই নাগদেবতার পুজা উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নাগপঞ্চমী পুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হিন্দু পুরাণ অনুসারে, সমুদ্র মন্থনে উঠে এসেছিল দেবতা কালান্তক হলাহল। সেই বিষ ধারণ করেছিল মহাদেব।

বিষ ধারণের সেই মুহূর্তটিকে বিশেষভাবে আরাধনা করা হয় শ্রাবণ মাস জুড়ে। একইসঙ্গে পাতালপুরীর অধীশ্বর নাগরাজার জন্য বিশেষ পুজাও অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে বসে বিষধর সাপ নিয়ে মেলা। নাগপঞ্চমীতে দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসে। বিষধর গোখরা, কেউটে, চন্দ্রবোড়া, শাঁখামুটি নিয়ে চলে সাপের খেলা।

চিরাচরিত সংস্কার আর রোমাঞ্চ এখানে মিলেমিশে একাকার। দেখলে যে কেউ শিউরে উঠবেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার হাতেই রয়েছে সাপ। কোনটা নির্বিষ কোনটা তীব্র বিষধর। কেউ গলায় সাপের মালা করেছেন। কেউ সাপ কোমরে বেঁধে ঘুরছেন। মেলা জুড়ে শুধুই সাপের ফণা তোলার শব্দ, এই বুঝি কেউটে-গোখরার দল ছোবল মারতে এল।






মন্তব্য চালু নেই