মেইন ম্যেনু

এতদিন ভুল পদ্ধতিতে চলন্ত সিড়ি চড়তেন আপনি! সঠিক নিয়মটা আজ জেনে নিন

অফিসে পৌঁছতে লেট হয়ে যাচ্ছে। মেট্রো স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে এসক্যালেটরে উঠেই আটকে গেলেন। কারণ, আপনার আগে যাঁরা চলমান সিঁড়িতে উঠেছেন, তাঁরা সবাই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ফলে ইচ্ছে থাকলেও তাঁদের সরিয়ে দ্রুত উপরে ওঠার উপায় নেই। কারণ এসক্যালেটর মানে তার উপরে উঠে দাঁড়িয়ে থাকাটাই অলিখিত নিয়ম।

অফিসে পৌঁছতে লেট হয়ে যাচ্ছে। মেট্রো স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে এসক্যালেটরে উঠেই আটকে গেলেন। কারণ, আপনার আগে যাঁরা চলমান সিঁড়িতে উঠেছেন, তাঁরা সবাই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ফলে ইচ্ছে তাঁদের সরিয়ে দ্রুত উপরে ওঠার উপায় নেই। কারণ এসক্যালেটর মানে তার উপরে উঠে দাঁড়িয়ে থাকাটাই অলিখিত নিয়ম। সিঁড়ি যতক্ষণে উপরে বা নীচে পৌঁছবে, ততক্ষণ আপনাকে অপেক্ষা করতেই হবে। হ্যাঁ, চলমান সিঁড়ি নিয়ে আমাদের এমনই ধারণা। অর্থাৎ, এসক্যালেটর মানেই তাতে উঠে দাঁড়িয়ে পড়তে হবে। বরং এসক্যালেটরে উঠে কেউ সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উঠে গেলেই তাঁকে ব্যঙ্গ করা হয়।

কিন্তু আসলে এসক্যালেটরে চড়ার নিয়মটা কি? শোনা যায়, এসক্যালেটর বা চলন্ত সিঁড়ির গতি এতটা শ্লথ রাখা হয় যাতে মানুষ সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উঠতে পারেন। বিদেশে অনেক সাবওয়েতেও এমন সিঁড়ির মতো চলমান মেঝে বা ওয়াকওয়ে থাকে। যাঁর উপর দিয়ে দ্রুত ভিড় সরে যেতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে সেই নিয়ম পুরোটাই উল্টো। তবে শুধু আমাদের দেশের বাসিন্দাদের দোষ দিয়েই লাভ নেই। অনেক উন্নত দেশেও এখন সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এসক্যালেটরের পাশে একাধিক নোটিস সাঁটছে কর্তৃপক্ষ। চলমান সিঁড়ির জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম চালু হয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, যাঁরা চলন্ত সিঁড়িতে উঠে দাঁড়িয়ে থাকবেন, তাঁরা যেন সিঁড়ির একপাশ ছেড়ে নির্দিষ্ট একটি দিকে দাঁড়ান। যাতে অন্যরা ফাঁকা অংশ দিয়ে দ্রুত উঠে যেতে পারেন।

অতএব, পরের বার চলমান সিঁড়িতে প্রয়োজনে আপনিও নিশ্চিন্তে দ্রুত উঠে যেতেই পারেন। কারণ, সেটাই সঠিক নিয়ম। কেউ বাঁকা চোখে আপনার দিকে তাকালে অথবা কথা শোনালে পাল্টা আপনি যুক্তি দিয়ে সঠিক নিয়মটা বুঝিয়ে দেবেন।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই