মেইন ম্যেনু

এবার গার্লফ্রেন্ড বালিশ!

ফ্যাশনের ছোঁয়া এখন বালিশেও ঢুকে গেছে। বাংলাদেশের নামিদামি শপিংমলে এখন আধুনিক প্রযুক্তির বালিশ পাওয়া যাচ্ছে। মানবজীবনের এ সাধারণ উপাদানটির বিবর্তন খুব বেশি না হলেও বর্তমানে এতে ফ্যাশনের ঢেউ যেভাবে লাগছে, তাতে বালিশ হয়ে উঠতে পারে অন্যতম শিল্পকর্ম। সম্প্রতি জাপানে গার্লফ্রেন্ড বালিশ বেশ সাড়া জাগিয়েছে। ইউরিথেন ফোম দিয়ে একজন নারীর হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত অংশের আদলে এই গার্লফ্রেন্ড বালিশ বানানো হয়। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, কেউ নারীর ঊরুতে মাথা রেখে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে।

জাপানিরা গার্লফ্রেন্ডের নরম কোলে মাথা রেখে ঘুমানোর ভার্চুয়াল তৃপ্তি পেতে গার্লফ্রেন্ড বালিশের প্রচলন ঘটিয়েছিল। বর্তমানে এই বালিশের জনপ্রিয়তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

গার্লফ্রেন্ড বালিশ তুলা বা পালক ভরা বালিশ নয়। পলিইউরোথিন দিয়ে তৈরি এক ধরনের হালকা কুশন। ২০০৫ সালে জাপানের ট্রান করপোরোশন এই বালিশ প্রথম বাজারজাত করে। বলা হয়েছিল, যারা কুমার বা একাকী থাকেন তাদের জন্য এই বালিশ আদর্শ বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু হালে দেখা যাচ্ছে, বিবাহিতই বলুন আর অবিবাহিতই বলুন, জাপানিরা গার্লফ্রেন্ড বালিশে অভ্যস্থ হয়ে গেছে। জাপান ট্রেন্ড শপ আর আমাজন শপে অনলাইনে এই বালিশের কাটতি অবিশ্বাস্য। জাপানিরা এখন বন্ধুকে নানা উৎসবে উপহার হিসেবে গার্লফ্রেন্ড বালিশ উপহার দিয়ে ধন্য হয় এবং তৃপ্তি পায়।






মন্তব্য চালু নেই