মেইন ম্যেনু

এবার দেশের সেরা দুর্গা প্রতিমা নোয়াখালীতে

শারদীয় দুর্গাপূজার সাজ সাজ রব এখন চারদিকে। দুর্গাপূজার জন্য মূর্তি বানানোর কাজ চলছে বিভিন্ন পূজা প্রাঙ্গণে। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে তৈরি হচ্ছে ৭১ ফুট উচ্চতার দুর্গাপ্রতিমা।

মূর্তির উচ্চতা ৭১ ফুট কেন? ব্যাখ্যা দেন চৌমুহনী পৌরসভার নরত্তমপুর এলাকার বিজয়া সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের পূজা উদ্‌যাপন কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শান্তনু সাহা। বললেন, ‘১৯৭১। মনে হলেই বুকের ভেতরটায় কেমন যেন অন্য রকম অনুভূতির সৃষ্টি হয়। যার সঙ্গে সম্পর্ক বাংলাদেশ নামের একটি দেশের। একটি নতুন পতাকার, নতুন মানচিত্রের। এ সবকিছুই আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে। তাই স্বাধীনতার সেই স্মৃতিকে ধারণ করে এবার তৈরি করা হচ্ছে দুর্গা দেবীর ৭১ ফুট উচ্চতার মূর্তি।’

২৮ সেপ্টেম্বর নরত্তমপুরে গিয়ে দেখা গেল, সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতির নানা কাজ চলছে। মন্দিরের সামনে ৭১ ফুট উচ্চতার বিশাল আকৃতির প্রতিমাসহ অন্য মূর্তিগুলোও বড় আকারে তৈরি করা হচ্ছে। আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে ১৬ জন মৃৎশিল্পী গড়ে তুলছেন বিশালাকার মূর্তিগুলো।

দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করেছেন শরীয়তপুরের শিল্পী অমল কৃষ্ণ পাল। বংশপরম্পরায় তাঁরা প্রতিমা গড়ে তোলার কাজ করছেন। ৬৩ বছর বয়সী অমল পাল বললেন, ‘বাবার কাছেই প্রতিমা তৈরির হাতেখড়ি। ১৯৭৪ সালে সরাসরি যুক্ত হই এই কাজে। জীবনে অসংখ্য প্রতিমা বানালেও এত বড় আকারের প্রতিমা আগে আমরা বানাইনি।’

শান্তনু সাহার কাছ থেকে জানা গেল, এবার পূজার বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। এরই মধ্যে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া পড়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, প্রতিদিন ৫০ হাজারের বেশি লোকের সমাগম হবে এই মন্দিরে।

নোয়াখালী জেলা শহর থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে এসেছেন রাজেশ মজুমদার। তিনি বলেন, চৌমুহনীতে বরাবরই সেরা পূজার আয়োজন হয়। প্রতিটি পূজামণ্ডপেই থাকে বাহারি আয়োজন। যার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।

উৎসবের মূল দিনগুলোতে বিশালাকার দুর্গাপ্রতিমার আসল রূপ দেখার অপেক্ষায় আছেন সবাই।






মন্তব্য চালু নেই