মেইন ম্যেনু

এমপি’র উপস্থিতিতে আ.লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ: আহত ৩০

রাজশাহী ব্যুরো প্রধান: রাজশাহীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাইয়ের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের ম্যধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩০জন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুর্গাপুরে জয়নগরে বিকেলের এ ঘটনায় এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের গাড়ীও ভাংচুর করা হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।

সংঘর্ষে আহতদের গুরুতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা সংকটাপূর্ণ।

তারা হলেন, রসূলপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল (৪০), একই ওয়ার্ডের তথ্য সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, রেজাউল ও সাইদুর রহমান। অন্যদের মধ্যে কয়েকজন দুর্গাপুর থানা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরে এলাকায় এমপি আব্দুল ওয়াদুদ গ্রুপ ও সাবেকজ উপজেলা চেয়ারম্যান মজিদ গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকেলে জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করতে রসুলপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের এমপি কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

সভা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে দেড়-দুই হাজার নেতাকার্মী রসুলপুর মাঠে গিয়ে জড়ো হন। এর পর মজিদ গ্রুপের সঙ্গে এমপি দারা গ্রুপের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।

এ সময় এমপি দারা ও উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের গাড়ীও ভাংচুর করে মজিদ গ্রুপের লোকজন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় অন্তত অন্তত ৩০ জন আহত হন।

দুর্গাপুর থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তি বলেন, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।






মন্তব্য চালু নেই