মেইন ম্যেনু

এমপি লিটন হত্যায় জামায়াত-শিবির জড়িত

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় জমায়াত-শিবির জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমপি লিটনের মরদেহ দেখতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

নানক বলেন, অনেক দিন থেকেই লিটনকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছিল জামায়াত-শিবির। অবশেষে তার শেষ রক্ষা হলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, হত্যাকারীরা কোনোভাবেই রেহাই পাবে না।

তিনি আরও বলেন, সারাবিশ্বে যেভাবে জঙ্গি উত্থান হয়েছে সে তুলনায় বাংলাদেশে জঙ্গিরা সুবিধা করতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র যতই ষড়যন্ত্র করুক এ দেশ থেকে তাদেরকে নির্মূল করা হবে।

সাংসদ লিটন হত্যার পর অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, এ ধরণের কোনো নিরাপত্তাহীনতা বা হুমকি নেই।

এসময় জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি।

নানক সাংবাদিকদের জানান, রোববার বেলা ১১টায় রংপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রথম জানাজা শেষে এমপি লিটনের মরদেহ ঢাকায় নেয়া হবে। আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গায় নেয়া হবে। সেখানে ওইদিন বাদ আসর তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান জানান, এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তাদের সনাক্ত করতে পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযান চালাচ্ছে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের নিজ বাড়িতে এমপি লিটনকে গুলি করে দুবৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এমপি লিটনের শ্যালক বেদারুল আহসান বেতার ও বাড়িতে থাকা এমপি লিটনের কর্মচারী জুয়েল মিয়া জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে তিনি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। শনিবার বিকেলে এমপি লিটন তার বৈঠকখানার ঘরে টেলিভিশন দেখছিলেন। হঠাৎ করে মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক এমপি লিটনের বাড়িতে আসে। ওই যুবকরা হেলমেট পড়া ছিল। একজন মোটরসাইকেলে নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুজন বারান্দায় এসে এমপি লিটনের অবস্থান জানতে চান। পরে তিনি ঘরে আছে বুঝতে পেরে দুই যুবক ঘরের দরজা খুলেই এলোপাথারি গুলি ছোড়ে। এরপর তারা দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।






মন্তব্য চালু নেই