মেইন ম্যেনু

এসিতে থাকতে ভালবাসেন, কিন্তু এই নিয়মগুলি না মানলে বিপদে পড়বেন!

বছরে হাতে গোনা কয়েকটা মাসই শীত থাকে আমাদের দেশে। তবে ঠান্ডা-আমেজ নিতে থোড়াই শীতকালের অপেক্ষা করি আমরা! বিজ্ঞানের আশীর্বাদে এখন শীতকাল সঙ্গে নিয়েই সর্বক্ষণ পথ চলা। সে এসি মেট্রোই হোক কিংবা বাস। আর অধিকাংশ কাজের জায়গা মানেই তো শীতকাল। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের করুণায় নিজেকে বিগলিত করা।

আর এসবের উপরে যদি বাড়িতে এসি থাকে, তবে তো কথাই নেই। কিন্তু যে কোনো ভাল জিনিসেরই একটা খারাপ দিক থাকে। এও তার ব্যতিক্রম নয়। একটানা এসির মধ্যে থাকলে শরীরে বেশ কিছু খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। দেখে নেয়া যাক কী কী পন্থা অবলম্বন করলে ঠান্ডার আমেজ নিতে বাধাও থাকবে না আবার শরীরও ঠিক থাকবে।

১. একটানা ঠান্ডার থেকে বাঁচতে সাধারণত আমরা পাতলা চাদর সঙ্গে রাখি। ঠান্ডায় জমে যাওয়ার হাত থেকে হয়তো তা বাঁচিয়ে দেয় কিন্তু এসির কুপ্রভাবগুলির মোকাবিলা করতে পারে না। অনেকক্ষণ এসিতে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। শরীরের তেলতেলে ভাব দূর হওয়া ভাল কিন্তু প্রয়োজনীয় আর্দ্রতাটুকুও যদি টেনে নেয় এসির হাওয়া তবে তা মোটেই ভাল নয়। পাশাপাশি লাল হয়ে যায় চোখও। এর মোকাবিলা করা খুব একটা কঠিন নয়। সাধারণত শীতকালে যা আমরা করে থাকি, এখানেও তাই করতে হবে। যারা দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকেন, সঙ্গে ভাল মানের বডি লোশন রাখুন এবং নিয়ম করে হাতে, পায়ে ও মুখে লাগিয়ে নিন। চোখ লাল হয়ে গেলে সাধারণ আই ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন যেটা যে কোনো ওষুধের দোকানেই পাওয়া যায়। তবে আগে থেকে চামড়া বা চোখের সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে এগুলি ব্যবহার করা উচিত হবে না।

২. এসিতে টানা কাজ করতে করতে অনেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। শরীরও খারাপ লাগতে পারে ওই সময়। এক্ষেত্রে মনে রাখবেন, কাজের ফাঁকে ফাঁকে বাইরের মুক্ত পরিবেশেও একটু বেরনো দরকার। এর সঙ্গে পাতলা চাদর ব্যবহার করুন যাতে সরাসরি এসির হাওয়া আপনার চামড়ার সংস্পর্শে না আসে।

৩. অনেক সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের হাওয়া বেরনোর ছিদ্রগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। তাই এই মুখগুলিতে বিভিন্ন নোংরা ও ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। সেই ব্যাকটেরিয়া হাওয়ার সঙ্গে বাহিত হয়ে নাকে পৌঁছলে ইনফেকশন হতে পারে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর থেকে বাঁচতে নজর রাখুন যাতে যন্ত্রগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই