মেইন ম্যেনু

রাবিতে শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঐক্যবদ্ধ না হলে হত্যার মিছিল থামবে না

ইয়াজিম ইসলাম পলাশ, রাবি প্রতিনিধি : অধ্যাপক রেজাউলের মতো সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষকে হত্যার মাধ্যমে খুনীরা আমাদের সবাইকে হুমকির মুখে রেখেছে। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে একদিন আমরাও হত্যাকান্ডের শিকার হব। তাই শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তি সঞ্চার করতে হবে। তাছাড়া হত্যার এই মিছিল থামবে না।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইতংরেজী বিভাগের অধ্যাপক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। অধ্যাপক সিদ্দিকী হত্যার ২০তম দিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে রাবি শিক্ষক সমিতি।

মানববন্ধনে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল্লাহ বলেন, দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকদের এভাবে হত্যা করা হলে জাতি মেধাশূন্য হয়ে পড়বে। তাই এ আন্দোলনে নাগরিক সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ফয়জার রহমান বলেন, শিক্ষকরা ক্লাস-পরীক্ষা ও গবেষণা বাদ দিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এত আন্দোলনের পরেও অধ্যাপক রেজাউল করিমের হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। অতীতে শিক্ষক হত্যাকা-ের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তারও কোন কুলকিনারা হয়নি। এসব ঘটনা আমাদের শঙ্কিত করে তোলে।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আনসার উদ্দীন, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক এসএম আবু বকর, বাংলা বিভাগের প্রভাষক গৌতম গোস্বামী, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের প্রভাষক দিলীপ কুমার সরকার প্রমুুখ। এ সময় রাবি উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মু. এন্তাজুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মজিবুল হক আজাদ খানসহ দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে যোগ দেয় ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পরে তারা একটি মৌন মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মুকুল মঞ্চে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজশাহী নগরীর শালবাগান এলাকায় বাসা থেকে মাত্র ১৫০ গজ দূরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে বিচার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।






মন্তব্য চালু নেই