মেইন ম্যেনু

ওজন মাপের ক্ষেত্রে ১০টি বিষয় খেয়াল রাখুন

শরীরের অতিরিক্ত ওজন যেমন সুস্বাস্থ্যের ইঙ্গিত দেয় না, তেমনি অতি কম ওজনও সুস্বাস্থ্যের ইঙ্গিত দেয় না। অর্থাৎ অতিরিক্ত কম ওজন বা অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত।

তাই বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয়ে আমরা অনেকেই ওজন মেপে থাকি। যাতে করে ওজন জানার পর সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করে নিজের ওজনকে আদর্শ অবস্থানে নিয়ে আসা যায়।

তবে ওজন মাপতে গিয়ে অনেকের দেখা যায় এক এক সময় এক এক রকম ওজন আসে| এমনটা হয়ে থাকে ওজন মাপার সঠিক নিয়ম কানুন না মানলে। তাই ওজন মাপার ক্ষেত্রে ১০টি বিষয় খেয়াল রাখুন।

* ওজন মাপার আদর্শ সময় হলো সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে| এ সময় আপনার শরীরের মূল ওজনটা আসবে। কারণ সারারাত না খেয়ে আপনার পেটে যে কিছুই নেই|

* রাতে ওজন মাপবেন না। কারণ সকালের যা ওজন আসবে শরীরের, রাতে সারাদিনের খাওয়া-দাওয়া, ফ্লুইডের ফলে ওজন কিছুটা বেশি আসবে।

* জুতা পরে ও ভারি কাপড় পরে ওজন মাপবেন মাপবেন না। বিশেষ করে বাইরে বের হলে সাধারণত জুতা ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র সঙ্গে থাকা অবস্থায় ওজন মাপলে শরীরের প্রকৃত ওজনের তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই বেশি ওজন আসবে।

* খাওয়ার পর ওজন মাপা উচিত নয়। কারণ খাওয়ার পরে আমাদের শারীরিক ওজন বেশিই থাকে।

* মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় ওজন মাপলে ঠিক ওজন পাওয়া যায় না। কারণ এই সময় মেয়েদের শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়।

* ওজন মাপার যন্ত্রটি কার্পেট কিংবা অন্য কিছুর ওপর রেখে ওজন মাপতে যাবেন না। এতে ঠিক ওজন আসবে না।

* ব্যায়ামের পরপরই ওজন মাপবেন না। কারণ এই সময় ফ্লুইড কমে আসে। শরীর ঠিক মতো হাইড্রেটেড না থাকার জন্য ওজন একটু কম আসবে।

* আপনার ওজন অনেক দিন একই রকম থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে অস্থির না হয়ে আসল কারণ অনুসন্ধান করুন। যেমন: শরীরে ফ্যাট কমেছে কিনা বা মাসেল বেড়েছে কিনা অর্থাৎ বডি শেপ তৈরি হলে ওজন একই রকম থাকতে পারে।

* যারা ওজন বাড়াতে, অথবা কমাতে চান, তারা নিয়মিত সপ্তাহে একবার ওজন মাপুন। সেটা সম্ভব না হলে মাসে অন্তত: একবার মাপুন। তাহলে আপনার ওজনের পরিবর্তনের মাত্রা লক্ষ্য করতে পারবেন।

* বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ওজন মাপা উচিত কাজ নয়। কারণ এর ফলে এতে আসক্তি চলে আসে এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়।






মন্তব্য চালু নেই