মেইন ম্যেনু

ওবায়দুল গ্রেপ্তার: ‘আমরা স্বস্তিতে তবে উচ্ছ্বসিত নই’

সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওবায়দুল খান গ্রেপ্তারের খবর শুনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। তবে ওবায়দুলের গ্রেপ্তারেই আন্দোলন থামিয়ে দিতে চায় না তারা। আসামির শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র। মুনতাসির মাহমুদ।

গত রবিবার রিশার মৃত্যুর পর পরই ওবায়দুলকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভে নামে কাকরাইলে তার স্কুলের সহপাঠীরা। পরদিন তাদের বিক্ষোভে যোগ দেন স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে গিয়ে প্রধান সন্দেহভাজনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেয় পুলিশ। আর এই সময়সীমার মধ্যেই বুধবার সকালে নীলফামারী থেকে ওবায়দুলকে আটকের কথা জানায় পুলিশ।

এই খবর সকালেই উইলস লিটল ফ্লাওয়ারে শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মুনতাসিরকে জানান রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান। পরে তিন স্কুলে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেনকে এই খবরটি দেন। আর আবুল হোসেন শিক্ষার্থীদেরকে এই খবর জানিয়ে দেয়ার পর মনের ভার অনেকটা কেটে যায় শিক্ষার্থীদের।

রিশার আত্মার শান্তি কামনায় দুপুরে স্কুলে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। স্কুলে ক্লাস না থাকলেও সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকরা স্কুলে আসতে থাকেন। এই মিলাদে যোগ দেয়ার কথা আছে রিশার বাবা-মা ও স্বজনদেরও।

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র মুনতাসির মাহমুদ এক প্রতিক্রিয়ায় বলে, ‘আমরা আপাতত স্বস্তিতে আছি। তবে আমরা উচ্ছ্বসিত নই, যতদিন না ওবায়দুলের শান্তি হবে আমরা শান্তি পাবো না।’

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখন একটাই দাবি, ওবায়দুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। আমরা আপাতত স্বস্তিতে থাকলেও সেইদিন আনন্দিত হবো যেদিন তার ফাঁসি হবে।’ মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেয়ার দাবিও জানান আবুল হোসেন।

ওবায়দুলের শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেলা ১২টা থেকে একটা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি বহাল থাকবে বলেও জানায় মুনতাসির।

গত ২৪ আগস্ট স্কুলে এসে ছুরিকাঘাতে আহত হয় রিশা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার মারা যায় রিশা। তার এই মৃত্যুতে সারা দেশেই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই