মেইন ম্যেনু

‘ওর লাশ শেয়াল-কুকুরে খাবে, তবু আমরা ছোঁব না’

ও খুবই নম্র-ভদ্র, চুপচাপ ছিল। বাড়ির বাইরেও যেত না স্কুল-কোচিং ছাড়া। এমনকি কোনো পারিবারিক বা সামাজিক অনুষ্ঠানে গেলেও আমাদের সঙ্গে সঙ্গেই থাকত। এই ছেলে কী করে নিখোঁজ হলো, কী করে জঙ্গিদের সঙ্গে মিশল, কোনোভাবেই আমাদের মাথায় ঢুকছে না।’- বলছিলেন রোহান ইবনে ইমতিয়াজের ফুপু।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী যে পাঁচজনের ছবি সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপ আইএসের বরাতে প্রকাশ করেছে, তাদের মধ্যে রোহান অন্যতম। তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সদ্যবিলুপ্ত কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ইমতিয়াজ খান বাবুলের একমাত্র ছেলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোহানের এক চাচা গতকাল এক দৈনিক পত্রিকাকে বলেন, আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। কী একটা বিষয়! কাউকে বলতেও পারছি না, সইতেও পারছি না। যে ছেলেকে গত জানুয়ারি থেকে পাগলের মতো খুঁজেছি আমরা, সেই ছেলেকে এভাবে পাব কল্পনায়ও ভাবিনি। তিনি বলেন, আমরা ওর লাশ নিতে যাব না। ওর লাশ শেয়াল-কুকুরে খাবে, তবু আমরা ছোঁব না। কারণ সারাজীবন যে জঙ্গিবাদকে ঘৃণা করে এসেছি, সেই জঙ্গিদের দলে আমাদের ছেলে, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।






মন্তব্য চালু নেই