মেইন ম্যেনু

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফ্রেড উইটিভিন

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি॥ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেলেন ফ্রেড উইটিভিন। সংস্থাটির ১৩ তম প্রধান হিসেবে মঙ্গলবার ১৭ মে সকালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নবনিযুক্ত এই কর্মকর্তা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জৈষ্ঠ্য কর্মকর্তা হিসেবে সফলভাবে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে কানাডার নাগরিক ফ্রেডের। নন-প্রফিট ম্যানেজমেন্ট এবং লিডারশিপের ওপরে ব্যবসা প্রশাসন বিষয়ে কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন তিনি। ২০০৬ সাল থেকে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে দুই বছর কাজ করেছেন ভি ডাব্লিউ কনসালটিংনামের একটি প্রতিষ্ঠানে। এরপর ন্যাশনাল ডিরেক্টর হিসেবে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিনিউ, কেনিয়াতে পাঁচবছর কর্মরত ছিলেন। ফ্রেড উইটিভিন ২০১৩ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনালের সাথে বিভিন্ন দেশে কর্মরত ছিলেন। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ একটি খ্রীষ্টিয়ান মানবিক উন্নয়ন সংস্থা। শিশু ও তার পরিবার এবং সমাজ থেকে দারিদ্র্য এবং অবিচার দূরীকরণের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ ,গোত্র, নারী-পুরুষ নির্বিশেষ বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতম ও সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্থ শিশু এবং সমাজের জন্য সেবা প্রদানে নিবেদিত। ১৯৭০ সালে উপকূলীয় এলাকায় প্রলয়ংকারী সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসে সাড়া প্রদান ও ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু করে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতে বাংলাদেশি শরনার্থীদের মধ্যে ত্রাণ সাহায্য বিতরন করে সংস্থাটি। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সরকারের আহ্বানে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে সংস্থাটি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৬৬ টি আঞ্চলিক উন্নয়ন কর্মসূচী বা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট পোগ্রাম (এডিপি) এবং ১৩ টি বিশেষ ও গ্রান্ট প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৩১ টি জেলার ৬৬ টি উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে যার মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমরা আশা করি ফ্রেড উইটিভিনের যোগ্য নেতৃত্ব সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন কর্মকা-কে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।






মন্তব্য চালু নেই