মেইন ম্যেনু

ককসবাজারের তাজিয়াকাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুকিতে পাঠদান

68594f0a-b5e7-473b-8e08-4c23b4331e48জামাল জাহেদ, ককসবাজারঃ বর্তমান সরকারের সফল শিক্ষাক্ষেত্র যখন এগিয়ে যাচ্ছে দিন দিন,তখন পিছু হাটছে মহেশখালি তাজিয়াকাটার শিক্ষা ব্যবস্থা।

ভবনের অভাবে উন্মুক্ত ফ্লোরে সিসিডিবি ভবনে শিশুদের ঝুঁকিতে পাঠদান করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
শিশুদের দেখে মনে হচ্ছে আতংকগ্রস্ত কোন জেলখানায় বন্দি,এ যেনো আজব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষিকার হাতে বেত যদিও সরকার নিষিদ্ধ করেছে এসব নিয়মনীতি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এ যেনো দেখার কেউ নেই,এক ভিন্ন পরিবেশে তাজিয়াকাটার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিদিনকার দৃশ্য। স্থানীয় ব্যবসায়ী সেলিম জানান, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দিন যত গড়াচ্ছে ততো দেশ ও জাতি উন্নতির দিকে এগুচ্ছে, কিন্তু দুঃখের বিষয় তাজিয়াকাটা কোমলমতি শিশুদের একমাত্র পাঠকেন্দ্রস্থলের বেহালদশা পিছু দৌড়াচ্ছে।

বিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলা পরিবেশ, শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্ধকার পরিবেশের জন্য অত্র এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানউন্নয়ন হ্রাস পাচ্ছে দিন দিন।

কুতুবজোমের প্রতিটি বিদ্যালয়ে একটি এসএমসি কমিটি, পর্যাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকা,ছাত্রছাত্রীর পরিচ্ছন্নতা ,শৃঙ্খলা এবং লেখাপড়ার সরন্জামাদি থাকলেও একেবারেই ভিন্ন নাজুক বিপর্যস্ত অবস্থায় তাজিয়াকাটার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা।

এ যেনো দেখার কেহ নেই, কুতুবজোমের ইউনিয়নের সবচেয়ে জনবহুল আর অবহেলিত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।যেখানে ১২০০শত ছাত্রছাত্রীর পাঠদান।

সরেজমিন দেখা যায়, কুতুবজোম তাজিয়াকাটা গ্রামে ১০হাজার মানুষের বসবাস,একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই কোন শিক্ষা ব্যবস্থা। পরিত্যক্ত সিসিডিবি ভবনে স্কুলড্রেস বিহীন কোমলমতি শিশুদের আড়াআড়ি ভাবে বাহিরে বসিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে।

অসতর্কতাবশত এমন ঝুঁকিতে যে কোন সময় শিশুরা নিচে পড়ে গিয়ে বড় দূর্ঘটনাও ঘটতে পারে বলে মনে করেন অভিভাবকেরা।

এভাবে বছরের পর বছর দীর্ঘ ২৩বছর অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে তাজিয়াকাটার ভবিষ্যত শিক্ষা ব্যবস্থা। এসব দৃশ্য, এসব ঘটনা দেখেও না দেখার ভান ধরেছে সচেতনমহল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এ বিষয়ে তাজিয়াকাটার ইউপি সদস্য শাহ আলম বাদশা জানান, অনেকবার বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোন সুফল পায়নি তার এলাকার জনগন ।সুতরাং বর্তমানে সংসদ সদস্যের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

তাজিয়াকাটা গ্রামের বর্ষিয়ান প্রধান শিক্ষক (অব) মাষ্টার ফজলুল করিম জানান,বিষয়টি অতীব জনগুরুত্বপুর্ন যে জাতি শিক্ষায় উন্নত হবেনা সে জাতি কখনো উন্নতি করতে পারবেনা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মহেশখালি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশিষ চিরানের কাছে উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং বিদ্যালয়ের চাহিদা উপরি দপ্তরে জানিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে এ বিষয়ে স্থানীয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন খোকন জানান, এলাকা অনুযায়ী তাজিয়াকাটা শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করলে ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকা দরকার।

যদিও দুভার্গ্যবশত তা সম্ভব হয়নি নানা কারনে তবে অতি শীঘ্রেই এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও মাননীয় সংসদ সদস্যদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেবার আশা প্রকাশ করেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই