মেইন ম্যেনু

কক্সবাজারে রূপালী ইলিশে সয়লাব, দাম নাগালের বাইরে

মোঃ আমান উল্লাহ, কক্সবাজার: ভাদ্র-আশ্বিন এ দুই মাস বঙ্গোপসাগরে ভরা ইলিশ মৌসুম। কিন্তু প্রকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। জলদস্যূ আতঙ্কের কারনে সাগরে মাছ ধরা ব্যহত হয়। ফলে আর্থিক কষ্টের মধ্যে পড়ে জেলেরা। কিন্তু গত কয়েক দিনে সকল আতঙ্ক উপেক্ষা করে জেলেরা মাছ ধরতে সাগরে গেলে মাছের বাজারগুলোতে ইলিশ সরবরাহ বেড়ে যায়।

কয়েক সপ্তাহ আগেও ইলিশের দেখা না মিললেও বর্তমানে কক্সবাজারের মাছের বাজারসহ রাস্তা ঘাটে ইলিশের উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়। তবে পর্যাপ্ত ইলিশ থাকা সত্বেও দাম যেন নাগালের বাইরে। ইলিশ সরবরাহকারীরা বলছেন, বঙ্গোপসাগর থেকে ইলিশ সংগ্রহে খরচ বেশি হওয়ায়, বাজারে ইলিশের দাম একটু বেশী।

ক্রেতারা বলছেন, বিক্রেতাদের কারসাজির কারণে বাজারে ইলিশের দাম বেড়েছে। এ সপ্তাহে সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের পাশাপাশি বোট মালিকরাও খুশি।

এদিকে কক্সবাজারে বড় বাজার, বাহারছড়া বাজার, কানাইয়ার বাজার, কালুর দোকান বাজারসহ আশে-পাশের রাস্তা ঘাটে মাছ বিক্রেতাদের হাতে ইলিশের আধিপত্য দেখা গেছে।

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পাড়ায় দাম কমেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও ক্রেতাদের অভিযোগ- বাজারে পর্যাপ্ত ইলিশ থাকলেও বিক্রেতারা দাম কমাচ্ছে না।

বড় বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে (বড়) ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের ইলিশ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। অধিকাংশ বাজারেই দেখা গেছে দামের মধ্যে পার্থক্য সর্বোচ্ছ দু’একশত টাকামাত্র।

তবে এই দামে সন্তুষ্ট না হলেও ইলিশ কিনে খুশি ক্রেতারা। একজন ক্রেতা এড; মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এসময় ইলিশ বাড়ছে তবে দাম আরো কমলে ক্রেতাদের খাওয়ার চাহিদাটা আরো ভালো করে পূরণ হয়। তৃপ্তিসহকারে হয়।

পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে অন্যান্য জাতের মাছও পাওয়া যাচ্ছে। এই অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে অল্প কিছুদিনেই ক্ষতিগ্রস্থ জেলেরা ক্ষতিপুষিয়ে উঠবেন বলে জানান জেলেরা।

অপরদিকে কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক বঙ্গোপসাগরে বিপুল পরিমান ইলিশ মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তার ফেইসবুক ওয়ালে লিখেন, আল্লাহর অশেষ রহমত। বঙ্গোপসাগরে ইলিশের আগমন। জেলেরা খুশিতে আত্মহারা। দোয়া করবেন সকলেই। সারা বছর যাতে ইলিশ থাকে সাগরে।

বিগত কয়েক মাস যাবৎ বৈরী আবহাওয়া ও জলদস্যূতার কারণে জেলেদের জালে মাছ ধরা না পড়ায় জেলে সহ মৎস্য সংশ্লিষ্ট মানুষ গুলো খুবই কষ্টে ছিল। কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে মাছ ধরা পড়ায় সংশ্লিষ্ট মানুষ গুলো খুবই খুশি।






মন্তব্য চালু নেই