মেইন ম্যেনু

কক্সবাজার সৈকতে ছিনতাইকারী চক্রের হাতে খুন হওয়া যুবকের পরিচয় মিলেছে

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ডায়াবেটিকস পয়েন্ট সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে জবাই করে অজ্ঞাতনামা এক যুবকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার গভীর রাত ১ টার দিকে ওই যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের পাশে পাওয়া গেছে ৩টি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, নগদ কিছু টাকা ও একটি পটেটো চিপসের খোলা প্যাকেট। ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র দেহজীবি নারীর প্রলোভনে ফেলে সেখানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে। বুধবার দুপুরে পুলিশ ও নিহতের আত্মীয় স্বজন তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, সৈকতের ডায়াবেটিকস পয়েন্ট সংলগ্ন কবরস্থানের পাশের পড়ে থাকা অজ্ঞাতনামা এক যুবকের গলাকাটা লাশ দেখে পথচারীরা কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশকে খবর দেয়।

বুধবার গভীর রাত ১ টার দিকে এসআই ফজলুল হক পাটওয়ারীর নের্তৃত্বে সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ২৪/২৫ বছর বয়সী এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা করে। নিহত যুবকের পরনে ছিল একটি সাদা শার্ট ও লুঙ্গি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লাশের পাশে পড়ে থাকা ৩টি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, নগদ ৩১৫ টাকা ও একটি পটেটো চিপসের খোলা প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

একটি সুত্র জানিয়েছে, ওই যুবককে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র দেহজীবি নারীর প্রলোভনে ফেলে সৈকতের ডায়াবেটিকস পয়েন্টে নিয়ে গিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে তার সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়েছে।

রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ জানান, নিহত যুবক মোজাফ্ফর আহমদ (২৫)। সে পেশায় একজন টমটম (ই-বাইক) চালক। খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দারিয়ারদিঘী গ্রামের মৃত জহির আহম্মদের ছেলে তিনি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বখতেয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, নিহত যুবকের পরিচয় মিলেছে। সদর হাসপাতাল মর্গেই লাশ সনাক্ত করেন আত্মীয় স্বজন। লাশের ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। কেন, কি কারণে এবং হত্যার ক্লো উদঘাটনের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানান তিনি।






মন্তব্য চালু নেই