মেইন ম্যেনু

কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে মেনে চলুন এই ৫টি নিয়ম

জীবন পুষ্পশয্যা নয়। কাঁটা বিছানো পথেই চলতে হয়। জীবন সুন্দর হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা। জীবনের কিছু সময় থাকে যখন আপনি চূড়ান্ত পর্যায়ের সুখের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন আবার এমন সময় ও আসে যখন আপনি চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। জীবন তাঁর নিজস্ব নিয়মেই আপনাকে পরীক্ষা করে থাকে যেখানে আপনার পছন্দ করার কোন সুযোগই থাকেনা কিন্তু জীবন চলার পথে আপনাকে সবকিছুই মোকাবিলা করতে হয়। হতাশ হবেননা প্রতিটা মানুষকেই কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বাস্তবতাকে এড়িয়ে না গিয়ে বরং এর মুখোমুখি দাঁড়ান এবং কিভাবে মোকাবেলা করবেন তা শিখুন। কঠিন সময়ে যে কাজগুলো করা প্রয়োজন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেই আসুন।

১। কথা বলুন

আপনি যখন কোন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাবেন তখন আপনার কষ্টের কথা কারো সাথে শেয়ার করুন। যাকে আপনি বিশ্বাস করেন এমন কারো কাছে আপনি আপনার অশান্তির ও কষ্টের সকল কথা বলুন। এর মাধ্যমে আপনি হয়তো কোন সমাধান খুঁজে পাবেন না কিন্তু আপনি অনেক ভালো অনুভব করবেন।

২। ইতিবাচক থাকুন

এই কথাটি গতানুগতিক মনে হবে কিন্তু এটা আসলেই সত্যি। কঠিন সময়ে ইতিবাচক থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন ইতিবাচক থাকবেন তখন আপনি খারাপ সময়েও নিজেকে ভালো অবস্থানে রাখতে পারবেন এবং নিজে একজন ভালো মানুষ হতে পারবেন। জীবনে যখন খারাপ সময় আসবে তখন আপনি দুইটা জিনিষ একসাথে করতে পারেন। আপনি ইতিবাচক থাকবেন এবং নিজেকে মনে করিয়ে দিবেন যে, অন্ধকার সুড়ঙ্গের পরে অবশ্যই আলো থাকে যা অন্ধকারকে দূর করে দেয়।

৩। নিজেকে ব্যাস্ত রাখুন

আপনি যখন ব্যাস্ত থাকবেন তখন আপনার সমস্ত যন্ত্রণা গুলো ভুলে থাকতে পারবেন। অলস সময় কাটাবেননা, কারণ অলস সময়ে খারাপ দিক গুলোর দিকেই আপনার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হবে যার ফলে আপনি সেই বিষয়েই চিন্তা করতে থাকবেন যা আপনাকে কোন সাহায্যই করবেনা। কিছু না কিছু কাজ করার চেষ্টা করুন।

৪। গ্রহণ করুন

Marter বলেন- ‘যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না তা হতে দিন’। আপনার প্রতিদিনের এমন কিছু বিষয়ের তালিকা করুন যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। তালিকার এই বিষয় গুলো নিয়ে চিন্তা করাও বন্ধ করে দিন। ধ্যান বা প্রার্থনার সময় মনের চোখে দেখুন যে, আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরের বিষয় গুলো আপনার উচ্চ ক্ষমতার কাছে হস্তান্তর করছেন এবং এগুলো চলে যাচ্ছে। তারপর যে বিষয় গুলো আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যেমন- আপনার শব্দ, আপনার কর্ম এবং আপনার সিদ্ধান্ত এগুলোর প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন।

৫। কৃতজ্ঞ হওয়ার মত অনেক কিছুই আছে জীবনে

হাসি জীবনকে ভালো রাখে। আপনাকে ঘিরে যে সৌন্দর্য গুলো আছে সেগুলো দেখুন এবং হাসুন। জীবনের ছোট খাট জিনিস গুলোর প্রতি কৃতজ্ঞ হোন। এই ছোট খাট জিনিস গুলো যখন একত্রিত করবেন তখন আপনি দেখবেন যে এরা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, সুখ আপনাকে কৃতজ্ঞ করেনা কিন্তু কৃতজ্ঞতা আপনাকে সুখি করে।






মন্তব্য চালু নেই