মেইন ম্যেনু

কপালে নাক, ঠিক জায়গায় আনলেন ডাক্তাররা!

বছর ১২-এর এক ছেলে নিউমোনিয়ায় হারিয়েছিল নাক। এতে পরিবারে অস্বস্তি নেমে আসে। উপায়ান্ত না পেয়ে তারা ডাক্তারের সরণাপন্ন হন।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ডাক্তাররা অবিশ্বাস্য সেই কাজটিই করলেন। কপালের টিস্যু নিয়ে তার সেই বিকৃত নাকের জায়গায় নতুন নাক বসিয়েছে ডাক্তাররা।

বিবিসির খবরে বলা হয়, অরুন প্যাটেল নামের ১২ বছরের ওই কিশোর একসময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে তার নাকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভেঙেচুরে বিকৃত হয়ে পড়ে।

নিউমোনিয়ার সংক্রমণে ছেলেটির নাকের তরুণাস্থি এমনভাবে নষ্ট হয় যে, ডাক্তারদের জন্য তা ঠিক করা দুরূহ হয়ে পড়ে। অবশেষে অসম্ভবকে সম্ভব করলেন ডাক্তাররা। নতুন নাক পেল ছেলেটি।

২০১৩ সালে একই ধরনের আরেকটি অপারেশন হয়েছিল চীনে। দুর্ঘটনায় এক লোক নাক হারানোর পর অপারেশন করে আরেকটি নতুন নাক বসানো হয়েছিল তার মুখে।

ভারতের মধ্য প্রদেশের কিশোর আরুন জন্মের পর পর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়। তার বাবা-মা ডাক্তারের সরণাপন্ন হন, কিন্তু চিকিৎসায় টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নাকটি বিকৃত হয়ে পড়ে।

একযুগেরও বেশি সময় পর একদল ডাক্তার জটিল ৪টি ধাপে দুর্লভ প্ল্যাস্টিক সার্জারি করে ঠিক করেন সেই নাক। তবে সময় লেগেছে এক বছর।

প্রথমে ছেলেটির কপালে সিলিকন টিস্যু বর্ধিতকরণের মাধ্যমে কপাল বড় করা হয়। এরপর সেই টিস্যু নিয়ে নাকের আকৃতি দেয়া হয়। এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক অরুন। তথ্যসূত্র : বিবিসি






মন্তব্য চালু নেই