মেইন ম্যেনু

কর্তৃপক্ষ কি করে রিকশা জন্য এমন লেন তৈরি করেন!

ঢাকা শহর থেকে রিকশা বন্ধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ দূষণ,যানজট, অমানবিক নানা অযুহাতে। কিন্তু কোন পদক্ষেপই সফল হয়নি। রিকশা বন্ধের এই কার্যক্রম বিশ্বব্যাংক শুরু করলেও। এখন বিশ্বব্যাংক সরে এসেছে। তবে এখন প্রচেষ্টা চলছে নানাভাবে। দিন কয়েকদিন আগে একটি পত্রিকা অনেক বড় বড় করে সংবাদ প্রকাশ করল। শাহাজাদপুর এলাকায় রিকশার নিধারিত লেন দিয়ে চলছে না।

আমিও গেলাম দেখতে ঘটনা কি?

১. ড্রেনেরও উপর স্লাবের উপর রিকশার লেন তৈর হয়েছে। তাও আবার ফাঁক-ফাঁক। এই ফাঁক দিয়ে আস্ত হাতি পরে যাবে। রিকশা চলে কি করে?
২. লেনে বেশির ভাগ অংশ জুড়ে বিদ্যুতের পিলার।
৩.লেন জুড়ে ব্যক্তিগত গাড়ি পাকিং, দোকান, ট্রাক-ভ্যান থামিয়ে মাল তোলা নামানো হয়।
৪.লেনের অনেক জায়গা দেখলে মনে হবে ছোট কোন খাল। ঢাকার অনেক খালেও এত পানি থাকে না।

ঢাকার কোটি মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম রিকশা। এটি পরিবেশবান্ধব, লক্ষ মানুষের জীবিকা নির্বাহ হয় এই রিকশার মাধ্যমে। আমাদের যাদের গাড়ি নেই, বাসের চড়ার ব্যবস্থা নেই। তাদের জন্য রিকশা যে কত বড় আশিবাদ। তা শুধু রিকশা আরোহীরাই জানে। কিন্তু শহরে একটি বিরাট অংশ রিকশা যাতায়াত করলেও। তাদের কথা কর্তৃপক্ষ ভাবেনি এই লেন তৈরি করার সময়। তার প্রমাণ এই ছবিগুলো।

ঢাকার রাস্তায় পরিবেশ দূষণ, যানজটের অন্যতম কারণ প্রাইভেটকার। তবুও সব সুবিধা তারই জন্য। কারণ প্রাইভেট কারে যারা চলে তারা নিয়ম তৈরি করে। তাই তারা সড়কে শুধুই তাদের সুবিধা নেয়।

এই স্ল্যাবের উপর দিয়ে কি করে রিকশা চলবে জনাব?
এই অথৈ পানির মাঝে দিয়ে কি রিকশা চলবে?

যদি বলেন চলে। তবে কাল থেকে আপনাদের ব্যক্তিগত গাড়িগুলো চালান
দুইদিন। যদি বলে না। তবে রিকশা লেনগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনায় আনুন

লিখেছেন: সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন






মন্তব্য চালু নেই