মেইন ম্যেনু

কর্মচারীরা সবাই উলঙ্গ, ‘শর্ত হল’ যাঁরা এই হটেলে বসে খাবেন তাদেরও উলঙ্গ হতে হবে!

যাঁরা খাবার দিয়ে যাবেন, তাঁরা নগ্ন। বলা বাহুল্য, তাঁরা অবশ্যই মহিলা। শর্ত হল, যাঁরা এখানে বসে খাবেন, তাঁদেরও নগ্ন হতে হবে। জাপানের এই রেস্তোরাঁ আসার আগে সাড়া ফেলেছে সর্বত্র।

জাপানের রাজধানী টোকিও-য় খুলছে সে দেশের প্রথম নগ্ন রেস্তোরাঁ। এই বিষয়টি নতুন না হলেও, জাপানের এই রেস্তোরাঁটি কিন্তু বেশ সাড়া ফেলেছে। জুলাই মাসে রেস্তোরাঁটি খোলা হবে। কিন্তু তার আগেই সেখানে ঢোকার জন্য অগ্রিম বুকিং-এর হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে।

এই রেস্তোরাঁয় কী থাকছে? নানাবিধ খাওয়ার তো পাওয়া যাবেই, সঙ্গে যৌনতা ছোঁওয়া। এখানে সবাই নগ্ন। যে সব সুন্দরী মহিলারা খাবার পরিবেশন করবেন, তাঁরা যেমন নগ্ন হয়ে থাকবেন, তেমনই যাঁরা আসবেন এবং খাবেন, তাঁদেরও নগ্ন থাকতে হবে। সেটাই শর্ত।

কী ভাবছেন, এখানেই শেষ? এখানে প্রবেশের ছাড়পত্র পেতে পূরণ করতে হবে আরও কয়েকটি শর্ত। তার প্রথম এবং প্রধানটি হল মোটা হওয়া চলবে না। সামান্য মেদ থাকলে আপত্তি নেই। কিন্তু মোটা হলেই দরজা দেখিয়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া বুড়ো হলেও এই রেস্তোরাঁয় প্রবেশাধিকার মিলবে না। বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৬০-এর মধ্যে। তৃতীয় শর্ত হল শরীরে কোনও ট্যাটু থাকা চলবে না।

জানা গিয়েছে, লন্ডন এবং মেলবোর্নে সক্রিয় রেস্তোরাঁ চেন ‘অমৃত’-র উদ্যোগে এই রেস্তোরাঁ খোলা হচ্ছে টোকিওয়। নামে ভারতীয় গন্ধ রয়েছে পুরোদস্তুর। কিন্তু কোনও মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি সংবাদমাধ্যম।

রেস্তোরাঁটির ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, উচ্চতা এবং বয়স অনুযায়ী যা ওজন থাকা উচিত, তার থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত বেশি হলে প্রবেশাধিকার মিলবে। আগামী ২৯ জুলাই রেস্তোরাঁটি খুলবে। বুকিং করতে হচ্ছে অনলাইনে, পেমেন্টও করতে হচ্ছে অ্যাডভান্স।

এ-ও বলা হয়েছে, এই রেস্তোরাঁয় সকলে নগ্ন হয়ে থাকলেও, কেউ কাউকে ছুঁতে পারবেন না। মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে হবে, ক্যামেরা আনা চলবে না।






মন্তব্য চালু নেই