মেইন ম্যেনু

কলেরা প্রতিরোধের ৫ টি টিপস

কলেরার সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে ডায়রিয়া ও পেটের ব্যথা। এই ইনফেকশন ও লক্ষণ কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যদি সঠিক সময়ে ও সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা না হয় তাহলে কলেরা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই কলেরার ইনফেকশন প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায়। কারণ কথায় আছে রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ করা ভালো। কলেরা প্রতিরোধের ৫ টি টিপস জেনে নিই চলুন।

১। পরিষ্কার পানি ব্যবহার করেন

রান্নার কাজে ও পান করার জন্য পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন। স্বীকৃত পরীক্ষাগার থেকে পানির ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষা করিয়ে নিলে ভালো। যদি টেস্টে পজেটিভ আসে তাহলে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানান এবং সেই পানি সরাসরি পান করা বন্ধ করুন। পান করার জন্য বা রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য পানি অবশ্যই ফুটিয়ে নিন। যদি আপনি ওয়াটার পিউরিফায়ার ব্যবহার করেন তাহলে পানি পিউরিফিকেশন টেস্ট করিয়ে নিন। যদি টেস্ট পজিটিভ আসে তাহলে সার্ভিস প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিল্টার পাল্টে নিন।

২। হাত ধুতে হবে

খাওয়ার পূর্বে এবং বাথরুম থেকে বের হয়ে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। আপনার ঘরের গৃহ পরিচারিকার হাত ও যেন পরিষ্কার করে ধুয়ে নেয় রান্না করার বা খাবার পরিবেশনের সময় সেই দিকেও খেয়াল করুন।

৩। রান্নার সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখুন

রান্না করার সময় হাঁড়িপাতিল, চামচ ইত্যাদি জিনিসগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে তারপর ব্যবহার করুন। মাছ, মাংস ও সবজি কলের পানিতে অনেকক্ষণ যাবৎ ধুয়ে তারপর ব্যবহার করুন। খাবার পরিবেশনের পূর্বে থালাবাসন ও চামচ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

৪। ভালোভাবে রান্না করা খাবার খান

খুব ভালো করে রান্না করা খাবার খান। গরম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং রান্না হওয়ার ২ ঘন্টার মধ্যে খাবার খেয়ে নেয়া উচিৎ। না হলে খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে এবং এই খাবার খেয়ে আপনিও ইনফেকশনে আক্রান্ত হতে পারেন। সকালে রান্না করা খাবার রাতে না খাওয়া ভালো।

৫। ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

হাতের নখ পরিষ্কার রাখাটা খুবই প্রয়োজনীয়। যারা খাবার প্রস্তুতের কাজের সাথে জড়িত তাদের হাতের নখে যেন কোন ময়লা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। যেকোন জিনিস যেমন- কলমের মুখ বা হাতের নখ কামড়ানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন। টয়লেট পরিষ্কার রাখুন।

এছাড়াও কাঁচা খাবার, খোসাহীন ফল ও সবজি, অপাস্তুরিত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাবেন না। মাংস খুব ভালো করে সিদ্ধ করে রান্না করুন। কলেরার সংক্রমণের ফলে পানির মত মল বের হয়ে যায় বলে শরীর পানিশুন্য হয়ে যেতে পারে তাই স্যালাইন দিতে হয়। ব্যাকটেরিয়া নির্মূলের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়।






মন্তব্য চালু নেই