মেইন ম্যেনু

কল্যাণপুরে নিহতদের মধ্যে জঙ্গি নিবরাসের বন্ধু শেজাদ

কল্যাণপুরে নিহতদের একজন গত ফেব্রুয়ারিতে নিখোঁজ তরুণ শেজাদ রউফ অর্ক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশের একটি সূত্র। হলি আর্টিজান বেকারিতে নিহত ‘জঙ্গি’ নিবরাস ইসলামের সঙ্গে নিখোঁজ হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এই ছাত্র।

তার নিখোঁজের বিষয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ডায়েরি করেন মোহাম্মদ তৌফিক রউফ। ওই সাধারণ ডায়েরি অনুযায়ী তার বাড়ি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। তিনি আমেরিকার নাগরিক। তার পাসপোর্ট নং ৪৭৬১৪৫৯৯২। নিখোঁজ হওয়ার আগে অর্ক নর্থ সাউথে এমবিএর ছাত্র ছিলেন। র‌্যাবের প্রকাশিত নিখোঁজের তালিকায় তার নাম ও ছবি ছাপা হয়েছে|

কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযান স্টর্ম টোয়েন্টি সিক্স শেষে নিহত নয় জঙ্গির ছবি প্রকাশ করে তাদের বিষয়ে তথ্য চায় পুলিশ। এরপর স্বজনরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ তিন জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের একজন শেজাদ রউফ অর্ক। অন্য দুই জন হলেন নোয়াখালীর শিবির কর্মী যোবায়ের হোসেনকল্যাণপুরে নিহতদের একজন নোয়াখালীর শিবিরকর্মী যোবায়ের এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হক চৌধুরীর ছেলে সাব্বিরুল হক অনিক রেটিনায় ভর্তি হয়েই ‘বিপথে’ যান কল্যাণপুরে নিহত সাব্বির।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার ইউসুফ আলী নিহত তিন জঙ্গির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নাম জানার পর তাদের পরিবারের লোকদেরকে আসতে বলেছি, রক্তের নমুনা এবং ডিএনএ পরীক্ষার পর তাদের পরিচয় সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে’।

গুলশানের অভিজাত রেস্টুরেন্ট হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর জঙ্গি তৎপরতায় উচ্চবিত্ত শ্রেণির উচ্চশিক্ষা পড়ুয়া তরুণদের জড়িত হওয়ার তথ্য জানা যায়। আরও জানা যায়, বেশ কিছু তরুণ এবং তাদের পরিবার নিখোঁজ হয়ে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ দেশের বাইরেও চলে গেছে এবং অন্তত একজন মধ্যপ্রাচ্যেরে একটি দেশে নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার কল্যাণপুরের জাহাজ বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পর ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছিলেন, সেখানে নিহত জঙ্গিদের বেশিরভাগ উচ্চশিক্ষিত ও ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান বলে ধারণা করছেন তারা। নিহত জঙ্গিদের কথা বলার ধরণ ও

শেহাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন তার বাবা। এই ডায়েরি করার প্রায় ছয় মাস পর শেহাজের নিহত হওয়ার খবর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানতে পারেননি ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল মুক্তাকিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় নাশকতার মামলা ছিল।






মন্তব্য চালু নেই